শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সরলখা উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলা; প্রধান শিক্ষকসহ ১৩ শিক্ষার্থী আহত কাজুবাদাম নিয়ে প্রশ্ন, নথিতে ৫টন স্থানীয়দের দাবি ১২টন জ্বালানী তেল এবং গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত সরকারি কবুলত জমি নিয়ে বিরোধ; ১২শতাংশ দখলের চেষ্টার অভিযোগ ৪র্থ জেলা স্কাউট সমাবেশ এর মহাতাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত বিপন্ন সপ্তপর্ণী ছাইত্তান ফুলের ঘ্রাণে মুখরিত লালমনিরহাট শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আনা ভারতীয় প্রসাধনীসহ ২জন গ্রেফতার খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বেপরোয়া ট্রাকের চাপায় প্রাতঃভ্রমণে বের হওয়া দুই নারী নিহত
দিনে কড়া রোদ, রাতে শীতের কাঁপন

দিনে কড়া রোদ, রাতে শীতের কাঁপন

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাটে শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। দিনের বেলা কড়া রোদের কারণে শীত অনুভূত না হলেও বিকাল হতেই উত্তরের হিমেল হাওয়া বইতে থাকায় রাত বাড়তেই শীতে কাবু হচ্ছে লালমনিরহাট জেলার শীতার্ত মানুষ। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারদিক। কনকনে শীতল হাওয়ার কারণে রাত ৯টার মধ্যেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে হাট-বাজার।

 

রাজারহাট আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) লালমনিরহাট জেলায় দেশের সর্বনিম্ন ৬ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

 

জানা যায়, লালমনিরহাটসহ উত্তরের কয়েকটি জেলা হিমালয়ের খুব কাছে অবস্থিত। উত্তরের সাইবেরিয়া থেকে কনকনে শীতল হাওয়া দক্ষিণে এসে হিমালয় পর্বতে ধাক্কা লাগছে। হিমালয়ের বরফে ধাক্কা লেগে সেই বাতাস দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে উত্তর দিক থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সে কারণেই দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে লালমনিরহাটসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় শীতের তীব্রতা বেশি থাকে।

 

এদিকে দিনে কড়া রোদ আর রাতের দিকে প্রচন্ড শীতের কারণে মাথাচারা দিয়ে উঠেছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল মুখী হচ্ছে। এ কারণে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ।

 

সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায় বলেন, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকে হাসপাতালে আসছেন। তবে তুলনামূলকভাবে ভালো থাকায় তাদের অধিকাংশকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে না। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে তারা বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। দিনে রোদ ও রাতে বেশি ঠান্ডা থাকায় শিশু ও বৃদ্ধদের ব্যাপারে আরও যত্নশীল হতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone