লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দিঘলটারী ও গোড়কমন্ডল বিওপির টহলদল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ করেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে বিজিবি জানতে পারে যে, চোরাকারবারীরা সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান করবে। উক্ত তথ্যানুযায়ী, বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা ১০মিনিটে দিঘলটারী বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার শ্বশানঘাট এবং রাত ৮টা ২০মিনিটে গোড়কমন্ডল বিওপির আওতাধীন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার শয়তানের মোড় নামক স্থানে পৃথক ২টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানসমূহ চলাকালীন টহল দলের সদস্যরা সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আসতে দেখে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে দৌড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৪শত পিছ এবং ইস্কাপ সিরাপ ৪৪টি বোতল জব্দ করতে সক্ষম হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৪শত পিছ, যার সিজার মূল্য ৪০হাজার টাকা এবং ইস্কাপ সিরাপ ৪৪টি বোতল, যার সিজার মূল্য ১৭হাজার ৬শত টাকাসহ সর্বমোট সিজার মূল্য ৫৭হাজার ৬শত টাকা। এছাড়াও মাদক চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের তথ্য সংগ্রহপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। চোরাচালান ও মাদকপাচার এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন এর প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। এছাড়াও, দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা করেছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।