শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
অসহায়, অতি-দরিদ্র, রোগাক্রান্ত ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শীতার্ত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবীতে- কর্মদিবস কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী যুবক নিহত ১৫ বিজিবি’র সাড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ জব্দ আ.জ.ম হাবিবুল হককে বিশেষ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট সদর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এ্যাডঃ আবু তাহের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে মামলায় ভিকটিম উদ্ধারপূর্বক প্রধান আসামি গ্রেফতার বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় এক নারী নিহত; আহত-৫
গোবর্দ্ধন হায়দারীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ!

গোবর্দ্ধন হায়দারীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ!

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন হায়দারীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন করে পছন্দের লোকজনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

সোমবার (৩০ মে) দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে সচেতন এলাকাবাসীর ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ তোলেন নিয়োগ বঞ্চিতরা। এ সময় তারা সুষ্ঠু তদন্ত করে অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিয়োগপ্রত্যাশী আবদুল হারেছ বলেন, সম্প্রতি বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেখানে অর্থ লেনদেন করে পছন্দের লোককে নিয়োগ দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক ও কমিটির লোকজন। এছাড়া অফিস সহকারী পদে ১৭জন আবেদন করলেও রোকনুজ্জামান রোকন নামে একজনের কাছ থেকে ৭লাখ ও মশিয়ার রহমান নামে আরেকজনের কাছ থেকে ৫লাখ টাকা নিয়ে নিয়োগের পাঁয়তারা করছেন প্রধান শিক্ষক। ১৭জন অংশগ্রহণকারীর লোক দেখানো পরীক্ষা নিয়ে এ নিয়োগকে বৈধতা দেওয়ারও চেষ্টা করছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মহিষখোচা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন সাদ্দাম অভিযোগ করেন, সম্প্রতি নিয়োগ দেওয়া দুটি পদের একটিতে আমার বোনকে নিয়োগের জন্য প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ৭লাখ টাকার চুক্তি হয়। ইতিমধ্যে আমি দেড় লাখ টাকা দিয়েছি। বাকি টাকা নিয়োগের পর দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির একজন সদস্যের ছেলের বউকে টাকার বিনিময়ে চাকরি দিয়েছেন। এখন আমার টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা করছেন।

 

মহিষখোচা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মজিদ অভিযোগ করেন, নদী ভাঙনের শিকার অনেকেই এখানে আবেদন করলেও টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে পছন্দের লোকজনকে। আগামী মাসের ৩ তারিখ প্রধান শিক্ষকের মেয়াদ শেষ হলেও কমিটিকে ম্যানেজ করে আরও দুই বছরের জন্য ওই পদে থাকার পাঁয়তারা করছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone