শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৩৫হাজার টাকা জরিমানা লালমনিরহাটে যত্রতত্র এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি; দুর্ঘটনার আশঙ্কা লালমনিরহাটে জাতীয় সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামলকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটের চরনামা খুনিয়াগাছে কুচক্রী ব্যক্তিরা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে! স্থবির লালমনিরহাটের সাংস্কৃতিক অঙ্গন লালমনিরহাটে ২০২৩-২০২৪ ইং অর্থ বছরে ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা খাতের আওতায় সরবরাহকৃত মালামাল বিতরণ অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে সংখ্যালঘুদের নির্যাতন-নিপীড়ন অনতিবিলম্বে বন্ধের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে নদী-নালা, খাল-বিলে ধরা পড়ছে না দেশী প্রজাতির মাছ প্রশ্ন ফাঁস কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকায় লালমনিরহাটের আদিতমারীতে আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিকে বহিষ্কার! লালমনিরহাটে অ্যাড. মোঃ মতিয়ার রহমান এমপির সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

কাজে আসছে না স্লুইস গেইট

Exif_JPEG_420

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাটের কোদালখাতা গ্রামের জমির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সাবরীখানা নদীর উপর স্লুইস গেইট হয়েছে। খরা মৌসুমে আবাদি জমিতে পানির সুব্যবস্থা হবে। এজন্য সেখানে তৈরি হয় স্লুইস গেইট। বছর কয়েক সেটি খোলা ও বন্ধের কাজও চলছিল। কিন্তু গত ১৬ বছর ধরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্লুইস গেইটটি কৃষকের কাজে আসছে না।

 

অনেকটা অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে থাকা স্লুইস গেইটটির অবস্থান লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলায়। এটি উপজেলার ১নং মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের খোরারপুল ও কোদালখাতা গ্রামের সরকারটারীর মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া সাবরীখানা নদীর উপর নির্মিত।

 

এলাকার কৃষকরা দাবি করছেন, সরকার এত টাকা খরচ করে স্লুইস গেইটটি কেনো তৈরি করেছেন তা আমাদের জানা নেই। আর এটি সরকারের অর্থ অপচয় ছাড়া কিছুই নয়।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন সেক্টর প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর অর্থায়নে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্লুইস গেইটটি নির্মাণ করা হয়। ২০০৬ সালের ১১ মার্চ স্লুইচ গেট নির্মাণে ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। নির্মিত স্লুইস গেইটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় একই সালে। এটি নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন কুড়িগ্রামের একজন ঠিকাদার। বর্তমানে সাবরীখানা নদীতে হাঁটু পরিমাণ পানির প্রবাহ রয়েছে।

 

এলাকাবাসী বলেন, স্লুইস গেইট তৈরি করার পর থেকে এটি আমাদের কোনো উপকারে আসে নাই। সরকার অযথা এখানে এটি তৈরি করে লক্ষ লক্ষ টাকা নষ্ট করেছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে নদীটি খনন না করায় খরা মৌসুমে এই সাবরীখানা নদীতে কোনো পানি থাকে না।

 

এলাকার কৃষকরা দাবি করছেন, ৩৫ লক্ষ টাকা খরচ করে সাবরীখানা নদীর উপর অপরিকল্পিতভাবে একটি স্লুইস গেইট তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে নদীটির অনেক জায়গা পলিমাটি ও আবর্জনা দিয়ে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে সময়মত পানি থাকে না। এতে করে যে সময় ফসলি জমিতে সেচের পানি দরকার হয় ওই সময় পানি পাওয়া যায় না। কর্তৃপক্ষ যদি নদীটি খনন ও স্লুইস গেইট সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করেন, তাহলে এলাকার কৃষকরা কিছুটা উপকৃত হবেন।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় খোরারপুল সরকারটারী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড এখন এটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন।

 

উল্লেখ্য যে, লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলায় এলজিইডির এসএসডাব্লুআরএসপি-২ এর আওতায় অনেকগুলো স্লুইস গেইট নির্মাণ করা হয়েছে। যা অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে আছে। যেন দেখার কেউ নেই?

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone