শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
১৫ বিজিবি’র অভিযানে ১লক্ষ ১৩হাজার ২শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ নজরুল বর্ষ উৎযাপন উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সরলখা উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলা; প্রধান শিক্ষকসহ ১৩ শিক্ষার্থী আহত কাজুবাদাম নিয়ে প্রশ্ন, নথিতে ৫টন স্থানীয়দের দাবি ১২টন জ্বালানী তেল এবং গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত সরকারি কবুলত জমি নিয়ে বিরোধ; ১২শতাংশ দখলের চেষ্টার অভিযোগ ৪র্থ জেলা স্কাউট সমাবেশ এর মহাতাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত বিপন্ন সপ্তপর্ণী ছাইত্তান ফুলের ঘ্রাণে মুখরিত লালমনিরহাট শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আনা ভারতীয় প্রসাধনীসহ ২জন গ্রেফতার

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় মৃত্যু ঠেকাতে আইন প্রণয়ন করা হলেও বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা থেমে নেই। তবে ওই আইনটি অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। শুক্রবার লালমনিরহাটে পুলিশ হেফাজতে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

 

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন–২০১৩ অনুযায়ী, এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করার সুযোগ আছে, কিন্তু পরিবার মামলা করেনি। এর কারণ যে ভয় অথবা চাপ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আইন থাকলেও এর প্রয়োগ না থাকার বড় দৃষ্টান্ত এসব ঘটনা।

 

এখানেই কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনের ভূমিকা, যা দিন দিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর পাশে না দাঁড়ালে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কাজ কী? জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থাকলেও এমন অমানবিক ঘটনায় তাদের সেই অর্থে কিছু করণীয় নেই। কারণ, আইন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করার এখতিয়ার মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়নি। লম্বা প্রক্রিয়া শেষে কমিশন হাইকোর্টে রিট আবেদন করতে পারে, তবে সেই মামলা চালানোর মতো সক্ষমতাও কমিশনের নেই।

 

শুক্রবার লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কাদমা মালদহপাড়া গ্রামের হিমাংশু চন্দ্র রায় (৩৫) হাতীবান্ধা থানার হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে।

 

নির্যাতন এবং অমানবিক ও লাঞ্ছনাকর ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইন করার সনদে বাংলাদেশ সই করে ১৯৯৮ সালের ৫ অক্টোবর। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে আইনটি পাস হয়, যার মূল কথা গ্রেপ্তারের পর কোনো আসামির মৃত্যু হলে মামলা করা যাবে এবং ঘটনার দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ওপর বর্তাবে।

 

দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু খুব সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

 

যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসহিষ্ণু আচরণ কাম্য নয়। আইনের মধ্যে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে দায়িত্ব পালন করে, সে জন্য সরকারকেও কড়া বার্তা দিতে হবে। পুলিশের ‘চেইন অব কমান্ডে’ বিদ্যমান ত্রুটি-বিচ্যুতি বা দুর্বলতা দূর করতে হবে। নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবার মানসিকতা বন্ধ করলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone