শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
নাগলিঙ্গম ফুল ফুটেছে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী চপল অবৈধ সার মজুদ ও পাচারের অভিযোগে জরিমানা, কারাদণ্ড ও ৭০ বস্তা সার জব্দ ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ২লক্ষ ২৯হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ দুর্গাপূজায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা; বডি অন ক্যামেরাসহ মাঠে পুলিশ বড়বাড়ীতে আরডিআরএস বাংলাদেশের দিনব্যাপী ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে প্রশাসন ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ৬লক্ষ ৬৪হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ, ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ ‎দেববাড়ী পূজা মন্দিরে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা অনুষ্ঠিত

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় মৃত্যু ঠেকাতে আইন প্রণয়ন করা হলেও বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা থেমে নেই। তবে ওই আইনটি অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। শুক্রবার লালমনিরহাটে পুলিশ হেফাজতে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

 

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন–২০১৩ অনুযায়ী, এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করার সুযোগ আছে, কিন্তু পরিবার মামলা করেনি। এর কারণ যে ভয় অথবা চাপ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আইন থাকলেও এর প্রয়োগ না থাকার বড় দৃষ্টান্ত এসব ঘটনা।

 

এখানেই কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনের ভূমিকা, যা দিন দিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর পাশে না দাঁড়ালে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কাজ কী? জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থাকলেও এমন অমানবিক ঘটনায় তাদের সেই অর্থে কিছু করণীয় নেই। কারণ, আইন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করার এখতিয়ার মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়নি। লম্বা প্রক্রিয়া শেষে কমিশন হাইকোর্টে রিট আবেদন করতে পারে, তবে সেই মামলা চালানোর মতো সক্ষমতাও কমিশনের নেই।

 

শুক্রবার লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কাদমা মালদহপাড়া গ্রামের হিমাংশু চন্দ্র রায় (৩৫) হাতীবান্ধা থানার হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে।

 

নির্যাতন এবং অমানবিক ও লাঞ্ছনাকর ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইন করার সনদে বাংলাদেশ সই করে ১৯৯৮ সালের ৫ অক্টোবর। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে আইনটি পাস হয়, যার মূল কথা গ্রেপ্তারের পর কোনো আসামির মৃত্যু হলে মামলা করা যাবে এবং ঘটনার দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ওপর বর্তাবে।

 

দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু খুব সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

 

যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসহিষ্ণু আচরণ কাম্য নয়। আইনের মধ্যে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে দায়িত্ব পালন করে, সে জন্য সরকারকেও কড়া বার্তা দিতে হবে। পুলিশের ‘চেইন অব কমান্ডে’ বিদ্যমান ত্রুটি-বিচ্যুতি বা দুর্বলতা দূর করতে হবে। নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবার মানসিকতা বন্ধ করলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone