শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আসন্ন ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে-দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার মাতৃভাষা দিবসের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিনারটি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রবন্ধকার নজরুল ইসলাম মন্ডল-এঁর ইন্তেকাল ২১১ বোতল এস্কাফসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ‎ভালো নেই লালমনিরহাটের ভাষা সৈনিক অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই! দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন লালমনিরহাটের অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তারেক রহমান ও আসাদুল হাবিব দুলুর জন্য বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত
লালমনিরহাটে বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

লালমনিরহাটে বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

Exif_JPEG_420

আলোর মনি রিপোর্টঃ হালকা বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার জনজীবন দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। হালকা বৃষ্টির সাথে সাথে দমকা বাতাসের কারণে লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৯টি (মোগলহাট, কুলাঘাট, বড়বাড়ী, পঞ্চগ্রাম, মহেন্দ্রনগর, হারাটি, খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুন্ডা) ইউনিয়ন ও ১টি (লালমনিরহাট) পৌরসভায় বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১১টা ৩০মিনিট থেকে শুরু হওয়া হালকা বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে ঘর-বাড়ী গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি না হলেও লালমনিরহাট সদর উপজেলার শতশত হেক্টর জমির আমন ধান ক্ষেত মাটিতে হেলে পড়েছে। সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ, কোদালখাতা, ভাটিবাড়ী, কাকেয়া টেপাসহ কয়েকটি গ্রামে।

মোগলহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শতশত আমন ধান খেতে বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে হেলে পড়া ধানের শীষ পঁচে নষ্ট হওয়ায় আশংকা করছেন কৃষকরা। এ ছাড়া দমকা বাতাসে বেগুনসহ অন্যান্য শাক-সবজীর পাতা ছিঁড়ে যাওয়া, হেলে পড়াসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

 

কুলাঘাট ইউনিয়নের চর খাটামারী গ্রামের হাসান আলী বলেন, আমার ১দোন আমন ধান খেত বাতাসে হেলে পড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফসলের ক্ষতি হওয়ায় আমরা বড় দুচিন্তায় আছি। আর কয়েকদিন পরেই খেতের ধান পাঁকতো। জানি না আমার কি হবে।

মোগলহাট ইউনিয়নের গ্রামের হরিপদ রায় হরি বলেন, ধার দেনা করে আমন ধান জমিতে লাগাইছি। হঠাৎ দমকা-বাতাসে খেতের সমস্ত ধান গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। এ বছর পেটের ভাত জোগার হবে কিনা তা নিয়ে দুঃচিন্তায় আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone