শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে ড্রেজার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হুমকি, ৪ বিএনপি নেতাসহ আটক-৬ হাত বদলে বাড়ে সবজির দাম; বঞ্চিত হন চাষিরা স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষকের যাবজ্জীবন ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নারী কৃষক দলের নেতৃত্বে সিআরএসএ মডেল জোরদারকরণের লক্ষ্যে সোলার পাম্প বিতরণ অনুষ্ঠিত সারের দাবিতে জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ, ডিলার ও মাঠকর্মী অবরুদ্ধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
লালমনিরহাটে ইট-পাথরের খুঁটি নির্মাণ করে ভাগ্য বদল তরুণ-যুবকদের

লালমনিরহাটে ইট-পাথরের খুঁটি নির্মাণ করে ভাগ্য বদল তরুণ-যুবকদের

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাটে বাণিজ্যিকভাবে ইট-পাথরের খুঁটি তৈরি করে আর্থিক স্বচ্ছলতা এনেছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা।

 

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলায় স্বল্প পরিসরে খুঁটি তৈরি করে নিজেদের ভাগ্য বদলে ফেলেছেন অনেকে।

 

লালমনিরহাটের বিভিন্ন হাট-বাজারের পাশে রয়েছে পাথর ও ইটের খুঁটি তৈরির ক্ষুদ্র কারখানাগুলো। দেশের অর্থনীতি ও অন্যের বাড়িতে মজুরির কথা চিন্তা করেই খুঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা আসে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের। তাদের কারখানায় কর্মসংস্থান হয়েছে হাজারও শ্রমজীবি মানুষের।

 

এছাড়াও ইট-পাখরের খুঁটির পাশাপাশি রিং-স্লাবও তৈরি করা হচ্ছে এসব কারখানায়। আর এসব কারখানায় উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করে ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন অনেকে।

 

এসব ইট-পাথরের খুঁটি খুচরা ও পাইকারী দরে বিক্রি হয়। এগুলো লালমনিরহাট জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলায় যায়। কোন কোন এলাকায় চার কোণার খুঁটি ও কোন এলাকায় গোল খুঁটির চাহিদা বেশি।

 

উদ্যোক্তা খয়বর আলী বলেন, প্রথম খুঁটি তৈরি শুরু করি। পাশাপাশি এখন রিং-স্লাবও তৈরি করছি। এখন আমার সাথে কাজ করে অনেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এটাই আমার সফলতা।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুর রহিম জানান, ক্ষুদ্রশিল্পে তরুণ ও যুব উদ্যোক্তাদের এ কাজটি নিঃসন্দেহে এলাকার উন্নয়ন ও দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটেছে। কিছু কিছু অপ্রচলিত কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আছে। সেগুলোর ব্যবসা করেও স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। ইট-পাথরের খুঁটিও তেমনই একটি। ঘর-বাড়ি তৈরিতে প্রচলিত বাঁশের পরিবর্তে এসব খুঁটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী। সরকারি ভাবে অনেক গৃহহীনকে ঘর-বাড়ি করে দেয়া হয়েছে, সেখানেও এসব খুঁটির ব্যবহার হয়েছে। তাছাড়া ঘেরা-বেড়া এবং সৌখিন বাগান করতে ইট-পাথরের খুঁটি লাগছে। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসব অপ্রচলিত, ব্যবহার্য ও লাভজনক পণ্য তৈরির কাজে তরুণ-যুবকদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone