শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি থেকে অপরূপ কাশফুল নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে-মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এমপি ‎শিক্ষার মানোন্নয়নে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে এক বছরে দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ৭লক্ষ ৬০হাজার টাকার ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ী জব্দ ১শত ৫পিস ইয়াবাসহ তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি মমি গ্রেফতার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে ড্রেজার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হুমকি, ৪ বিএনপি নেতাসহ আটক-৬
গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য মৃৎ শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে

গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য মৃৎ শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে

লালমনিরহাটের গ্রাম-বাংলার চিরাচরিত্র ঐতিহ্যের অন্যতম হলো মৃৎ শিল্প। নিকট অতীতে ও গ্রাম্য সমাজে মৃৎ শিল্প দ্বারা নির্মিত মাটির বাসন-কসন, পাত্র, হাড়ি-পাতিল, থালা, ঘটি-বাটি, বদনার বেশ কদর ছিল।

‎কিন্তু বর্তমানে কম দামে এ্যালুমিনিয়াম, মেলামাইন, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন মেটাল সামগ্রী সহজলভ্য হওয়ায় এবং মৃৎ শিল্পের তৈরী সামগ্রীর চাহিদা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাওয়ায় বিলুপ্তির পথে মৃৎ শিল্প।

‎মৃৎ শিল্পের চাহিদা কমে যাওয়ায় এ পেশার সাথে জড়িত কুমাররা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। চোখে আন্ধার দেখছে। এ শিল্পের সহিত জড়িত লালমনিরহাট জেলার শত শত পরিবারের হাজার হাজার মানুষ। অনেকেই বাধ্য হয়ে পৈতৃক পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে।

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলার ১নং মোগলহাট ইউনিয়নের কাকেয়া টেপা গ্রামের মৃৎ শিল্পীদের পরিবারের লোকজন জানায়, মাটির জিনিসপত্র তৈরী করে আগে সংসার ভালোই চলতো। কিন্তু বর্তমানে খুব কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।

‎একই অবস্থা বিরাজ করছে লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন কুমার পাড়া গুলোতেও।

‎অধিকাংশ এলাকাতেই কুমার পরিবারগুলো তাদের পৈতৃক পেশা ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবছে। অনেকেই এ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। অনেকে মাটির কলস, বদনা, খানদা, ফুলের টব, ফুলদানী, চাড়ি বানালেও পাশাপাশি অন্য ব্যবসা বা চাষাবাদ শুরু করেছেন।

‎এ পাল পাড়া এলাকার কুমাররা বলেন, লালমনিরহাট জেলা শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হোটেল গুলোতে দইয়ের বাটি, থালা সরবরাহ করে অনেকে কোনমতে টিকে আছে।

‎কুমোরদের শৈল্পিক দক্ষতা ও মনের মাধুরী দিয়ে কারুকার্য খচিত হাড়ি-পাতিল, কলস, বদনা, ফুলের টব, ফুলদানী, জীবজন্তু, ফলমূল, পাখির অবয়ব, সাজ-সজ্জা, অলংকারসহ বাংলার চিড়াচড়িত সব নিদর্শনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

‎এসব সামগ্রী শহরের গিফট হাউস, বিপনী বিতান, চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট, মেলা ও অনুষ্ঠানে ভালো দামে বিক্রি হয়। এ শিল্পের বিকাশ ও মান উন্নয়নে প্রয়োজন শুধু সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার অনুদান, প্রশিক্ষণ এবং পৃষ্ঠপোষকতা এমনটাই দাবি তাদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone