লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ, ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান অপারেশন নারকোটিক্স স্ট্রাইক অভিযানের অংশ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন বিওপির ৪টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ, ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আকস্মিক চেক পোস্ট স্থাপন করে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১২টা ৩০মিনিটে বুড়িরহাট বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানার চন্দ্রপুর, একই দিন সকাল ১১টা ৫৫মিনিটে বনচৌকি বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার আমঝোল ও দুপুর ১২টা ৫০মিনিটে বালারহাট বিওপির আওতাধীন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার চওড়াটারী এবং শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় গংগারহাট বিওপির আওতাধীন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার কুটি চন্দ্রখানা নামক স্থানে পৃথক ৪টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি টহলদল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে বুড়িরহাট বিওপির এলাকা হতে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ১শতটি বোতল, বনচৌকি বিওপির এলাকা হতে ফেয়ারডিল সিরাপ ২শত ৫২টি বোতল ও বালারহাট বিওপির এলাকা হতে ইয়াবা ট্যাবলেট ১শত পিস, টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৯৯পিস ও বাই সাইকেলের বিবি সেট ১০পিস এবং গংগারহাট বিওপির এলাকা হতে ইয়াবা ট্যাবলেট ১হাজার ৬শত ৬পিস উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ৬লক্ষ ৬৪হাজার ৫শত টাকা। এছাড়াও, মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। চোরাচালান, মাদক পাচার এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাসমূহে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও চোরাচালান ও মাদক বিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।