শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাট সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ১৫ বিজিবি’র বাড়তি সতর্কতা জারি এবং টহল জোরদার বৃদ্ধের ওপর বর্বরতা, গাছে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন ত্রাণের টিন ও অনুদানের টাকা ফেরত দিলেন বিএনপির নেতাসহ স্বচ্ছল পরিবারের ৪জন মরিচ চাষ বাড়ছে র‌্যাবের অভিযানে ৯৩.৫কেজি গাঁজা জব্দসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ ১জন আসামী আটক পাট শাক চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা ১৫ বিজিবি’র চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্যান্ট পিছ জব্দ রংপুর ও লালমনিরহাটে ২টি ইটভাটাকে ৭লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১টি চিমনি ধ্বংস সর্পদংশ‌নে শিশুর মৃত্যু
বিলুপ্তির পথে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী কুয়া

বিলুপ্তির পথে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী কুয়া

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলা এলাকায় এখনো কিছু কিছু স্থানে কুয়ার পানি ব্যবহার হচ্ছে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চালে বসবাসকারীরা কুয়ার পানি ব্যবহার করছেন।
তবে গ্রামবাসী গভীর নলকূপ পেয়ে অনেক আগেই কুয়ার পানি ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ কুয়ার পানি উত্তোলন করতে অনেক কষ্ট ও ঝুঁকি রয়েছে।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে কিছু কুয়া দেখা গেছে। এর পানি তারা এখনো ব্যবহার করছেন।
জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার গ্রামে গ্রামে ও পাড়ায় পাড়ায় এবং মহল্লায় মহল্লায় কুয়া নির্মাণ হয়। আধুনিকতার ছোঁয়ায় কুয়াগুলো আজ বিলুপ্তির পথে। লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের কিছু কিছু স্থানে কুয়া টিকে থাকায় ঐতিহ্য জানান দিচ্ছে।
পরিবেশ প্রেমি এস এম হাসান আলী বলেন, কুয়ার পানি সব সময় ঠান্ডা থাকে। কুয়ার মুখ ঢেকে রাখলে পানি নষ্ট হয় না।
ফুলগাছের হরিপদ রায় হরি বলেন, সময়ের সাথে কুয়াগুলো বিলুপ্তির পথে। তবে এখনও কিছু কিছু বাড়িতে কুয়া রয়েছে। অনেক স্থানে কুয়ার রক্ষণাবেক্ষণ না করায় নষ্ট হয়ে ভরাট হয়েছে। এগুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone