শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
‎লালমনিরহাট জেলায় দেশী মাছের বড় আকাল ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট এবং ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল জব্দ তিস্তা আন্দোলন সফল হয়েছে; এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে যাবে-মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন সামাজিক বিপ্লব ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে কঠোর হুঁশিয়ারি-মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন-পুরাতন হাজীদের পরিচিতি ও দোয়া অনুষ্ঠিত ভারতীয় গাঁজা এবং নেশা জাতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ আলোকিত লালমনিরহাটের আয়োজনে যৌতুকবিহীন বিবাহ অনুষ্ঠিত সরকার স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে-লালমনিরহাটে মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি শিশুদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত চির নিদ্রায় শায়িত হলেন মেহেরুন নেছা খানম
আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছগুলো

আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছগুলো

Exif_JPEG_420

আলোর মনি রিপোর্ট: পল্লীকবি জসীম উদ্দিন-এঁর “মামার বাড়ি” কবিতার পংক্তিগুলো লালমনিরহাটের আম বাগানগুলোতে বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। চলতি মৌসুমে লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রতিটি বাড়িতে কমপক্ষে ৫/১০টি আম গাছ রয়েছে। আসা করা যাচ্ছে গাছগুলোতে এবারে প্রচুর ফলন হবে এতে করে সবাই আম খেতে পারবে।

 

আর মাত্র দু’এক মাসের মধ্যে বাগানগুলোতে থরে থরে আম দেখা যাবে। ইতিমধ্যেই আমগাছগুলোতে এমন ভাবে মুকুলে-মুকুলে ছেয়ে যে, গাছের পাতাগুলো অদৃশ্য হয়ে গেছে। আমের মুকুলের মৌ-মৌ ঘ্রাণে ঘ্রাণে আম বাগানগুলোর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে পাগল করা সু-ঘ্রাণ। যে ঘ্রাণ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল।

 

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, আম বাগানের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই মুকুল। এ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন। মুকুলে ছেয়ে গেছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরা। এদিকে মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন। ইতোমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও সপ্তাহখানেক লাগবে বলে জানান বাগান মালিকরা।

 

মালিকরা জানান, প্রায় ২/৩ সপ্তাহ আগে থেকে তাদের বাগানে লাগানো আম গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে।

 

মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা গ্রামের কমল কান্তি রায় জানান, মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঔষুধ স্প্রে করছেন তারা।

 

মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের হরিপদ রায় হরি জানান, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone