শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত; স্বজন ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভে মহাসড়ক অবরোধ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের তালাবদ্ধ করে রাখল ছাত্র-ছাত্রীরা, ইউএনওর হস্তক্ষেপে মুক্ত ‎তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার ওপরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার ওয়াপদা বাঁধের বেহাল দশা: চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন ধরলা নদী পাড়ের মানুষ
গাছে গাছে থোকায় থোকায় দুলছে রসালো আম

গাছে গাছে থোকায় থোকায় দুলছে রসালো আম

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাটে গাছে গাছে থোকায় থোকায় দুলছে রসালো আম। বর্তমানে লালমনিরহাট জেলার আমবাগানগুলোতে বিভিন্ন জাতের আম বড় হয়ে পাকতে শুরু করেছে। বিভিন্ন দেশী জাতের আম বাজারে আসতে শুরু করেছে বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।

 

তবে ফজলি, আম্রপালি, গোপালভোগ, মালদাই জাতের আম অন্তত দুই সপ্তাহ পর বাজারে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ লালমনিরহাটের আম পরিপক্বতা পেতে দেরি হয় অন্য স্থানের চেয়ে। সর্বোপরি আশা করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহের মধ্যে মধুমাস জ্যৈষ্ঠের শেষে বাজারে উঠতে শুরু করবে পাকা আম। আর আমকে ঘিরে ইতিমধ্যে লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। এ লালমনিরহাট জেলার মানুষ অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মতো আম চাষ করছেন। গত বছরের চেয়ে এবার লালমনিরহাট জেলায় আমের গাছে গাছে ব্যাপক আম ধরেছে। এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, লালমনিরহাট জেলার প্রায়ই সব আমগাছগুলোতে প্রচুর পরিমাণ আম ধরেছে। গত কয়েক দিন আগে কয়েক দফা বৃষ্টির সুবাদে আমের আকার অনেকাংশে বড় হয়ে গেছে। আগামী সপ্তাহে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন বাজারে গাছ পাকা আম আসতে শুরু করবে। আর আগাম জাতের পাকা আমের মিষ্টি সুগন্ধে ভরে উঠবে আমবাজারগুলো। তাই দাম বেশি ও ফলন ভালো পেতে এ সময় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। আমের ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ ঠেকাতে বালাইনাশক ঔষুধ ব্যবহার করছেন। এ বছর করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বেচাকেনা ভালো হবে বলে আশাবাদী আম চাষি ও বিক্রেতারা।

 

ফুলগাছ গ্রামের হযরত আলী বলেন, দেরিতে আমের গুটি আসলেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমের উৎপাদন অনেক ভালো হয়েছে। বর্তমানে আম নষ্টকারী ক্ষুদি ও হপার পোকা দমনে আম গাছগুলোতে কৃষি বিভাগের পরামর্শে কীটনাশক দিচ্ছেন আম চাষিরা।

 

কোদালখাতা গ্রামের মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাক বলেন, এবার বেশির ভাগ গাছে আম এসেছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুলতান সেলিম বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সময়ের ব্যবধানে আমের আকার অনেকটা বড় হয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে আগাম জাতের পোক্ত গুটি আম বাজারে নামবে এবং সেটি হবে সুমিষ্ট ও সুস্বাদু।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone