শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
রসালো লিচু এখন লাল রঙে রাঙাচ্ছে প্রজ্ঞাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেরোবি উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল বিপুল পরিমাণ আমেরিকান ডলারসহ যুবক গ্রেপ্তার কৃতি সন্তান বেরোবির ৭তম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেলেন ঢাবির প্রফেসর ড. আনিসুর রহমান আমেরিকার সাথে দেশবিরোধী অসম চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মরহুম আমিনুল ইসলাম স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত সীমান্তে আহতের পর যুবকের মৃত্যু সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা অবহিতকরণে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত বৈচিত্র্যকৃত জুট প্রোডাক্টস উৎপাদন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষকরা বাক্সকচু চাষ করে লাভবান হচ্ছে

কৃষকরা বাক্সকচু চাষ করে লাভবান হচ্ছে

আলোর মনি রিপোর্ট: বাক্সকচুর চাহিদা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। সেই সাথে বাক্সকচুর দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। এতে করে বাক্সকচু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন লালমনিরহাট জেলার কৃষকরা।

 

বাক্সকচু উৎপাদনে ৬ মাস থেকে ৭ মাস সময় লাগে বলে অনেক কৃষক এই সবজী চাষে তেমন উৎসাহী নন। তবে, যারা বাক্সকচু চাষ করছেন তারা ভালো ফলন ও সন্তোষজনক আয় পেয়ে খুবই খুশি।

 

লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের গুড়িয়াদহ গ্রামের মন্ডলেরহাট এলাকার চাষী মফিজ আলী বলেন, বাক্সকচুকে কোনো কোনো এলাকায় কাঠকচু বলে। বাক্সকচু কাঠ গাছের মতো লম্বা আকার হওয়ায় এ কচুকে কাঠকচু বলা হয়ে থাকে।

 

তিনি আরও বলেন, আমি প্রায় ৬হাজার বাক্সকচু রোপন করেছি। মে মাসের মাঝা মাঝি থেকে বিক্রয় করছি।

 

বাক্সকচু চাষী মনির, এসাহাক, আশরাফ বলেন, সাধারণত নিচু এলাকা, যেখানে বানের পানি জমতে পারে, সেখানে বাক্সকচু চাষ করা হয়। বানের পানিতে এ ফসলের কোনো ক্ষতি হয় না। বরং পানিতে বাক্সকচু ভালোভাবে বেড়ে উঠে। হাট-বাজারে এ কচুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে ১টি কচু ১৫টাকা থেকে শুরু করে ৩৫টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

একই গ্রামের চাষী মহির বলেন, ১বিঘা জমিতে ৪হাজার ৫শত থেকে ৫হাজার পর্যন্ত বাক্সকচুর চারা রোপণ করা যায়। প্রায় সবগুলো চারাগাছ থেকেই ফলন পাওয়া যায়। প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসের মাঝা মাঝি সময়ে বাক্সকচুর চারা রোপণ করতে হয়। আর ফলন আসে মে, জুন ও জুলাই এবং আগস্ট মাস জুড়ে। ১বিঘা জমিতে বাক্সকচু চাষ করতে খরচ হয় ১০হাজার থেকে ১২হাজার টাকা। বিক্রি হয় ৪০হাজার থেকে ৫০হাজার টাকা।

 

এ ফসল দীর্ঘ মেয়াদী হওয়ায় খুব কম কৃষকই বাক্সকচু চাষ করেন। যারা চাষ করেন তারাও কম পরিমাণ জমিতে চাষ করে থাকেন জানিয়ে তিনি বলেন, বাক্সকচু চাষে পরিবারের সবজির চাহিদাও মেটে আর এর সঙ্গে মোটামুটি ভালো আয়ও আসে।

 

লালমনিরহাট জেলায় ১শত ৫০হেক্টর জমিতে বাক্সকচু চাষ হয়েছে মর্মে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

 

বাক্সকচু চাষ লাভজনক হলেও দীর্ঘ মেয়াদী হওয়ায় অনেক কৃষক তেমন আগ্রহ দেখান না। সাধারণ নিচু জমি, যেখানে পানি জমতে পারে ও অন্য ফসলের ফলন তেমন হয় না, সেখানে এ ফসলের চাষ করছেন কৃষকরা।

 

তবে ফলন ভালো হলে কৃষকরা বাক্সকচু থেকে যে পরিমাণে আয় করতে পারেন, একই সময়ে অন্য ফসল থেকে সে পরিমাণে আয় আসে না বলেও শোনা যায় কৃষকের মুখ থেকে।

 

হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাক্সকচুর চাহিদা ও দামও বেশি, বাক্সকচুর তরকারি পুষ্টিকর ও খেতে ভালো লাগার কারণে এর চাহিদা বেশি বলে জানান অনেক ক্রেতারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone