শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকঃ) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত শতভাগ পাশকৃত প্রতিষ্ঠান নেই, একজনও পাশ করেনি ২টি মাদ্রাসায় সারের দাবিতে রোপা-আমন চাষিদের মহাসড়ক অবরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক র‍্যাবের মাদকবিরোধী টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত আয়কর আইন আনীত পরিবর্তন সমূহের উপর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপসহ ২জন আটক রবি মৌসুমের সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা জুয়া খেলায় নিষেধ করায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কৃষকেরা রোপা-আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি সিরাজুল ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুর ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন মালামাল জব্দ
রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সারে ঝিঙে চাষ হচ্ছে

রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সারে ঝিঙে চাষ হচ্ছে

আলোর মনি রিপোর্ট: সহজ ও সুলভ সবজি ঝিঙে। ঝিঙে দু’রকমের হয়ে থাকে। তেতো ও মিষ্টি। ফলে ক্রেতামহলে এর চাহিদা রয়েছে। এবার জৈব সারে খাদ্যগুণে ভরা সতেজ ঝিঙে চাষে কৃষকরা উৎসাহিত হয়েছেন।

 

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার বিভিন্ন কৃষি জমিতে প্রচুর ঝিঙে চাষ করা হয়েছে। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে আদর্শ জৈব সারে ঝিঙের মতো এ মৌসুমের সুস্বাদু সবজি উৎপাদন করে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন কৃষকরা।

 

জানা যায়, এ মৌসুমে ঝিঙের চাহিদা রীতিমতো তুঙ্গে। এক বিঘা জমিতে আদর্শ জৈব সারে এই সবজি উৎপাদন করতে খরচও কম হয়।

 

আরও জানা যায়, লতানো জাতীয় সবজী চাষ করা হয় এমন জমিই ঝিঙে চাষের জন্য আদর্শ। ১বিঘা জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব সার প্রয়োজন হয়। ৩০দিন হতে ৩৫দিনের মধ্যে ঝিঙে গাছে ফুল আসতে শুরু করে। ফুল আসার ৭দিন হতে ৮দিনের মধ্যে ফল ধরা শুরু হয়। ঝিঙে গাছে পোকার উপদ্রব দমন করতে ১বিঘা জমির ৪টি জায়গায় ‘আলোর ফাঁদ’ অর্থাৎ ফল ছিদ্রকারী পোকা আকৃষ্ট করতে ফাঁদ বসাতে হবে। তাতে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

 

হাট ও বাজারে প্রতি কেজি ঝিঙে বিক্রি হচ্ছে ৪০টাকা কেজি দরে। আর পাইকারি হিসেবে প্রতি কেজি ঝিঙে ৩০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

কোদালখাতা গ্রামের কমল কান্তি বর্মণ বলেন, আমাদের গ্রামে প্রতিটি বাড়িতেই কম আর বেশি ঝিঙে চাষ করা হয়ে থাকে। এতে করে নিজের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি ঝিঙে বাজারে বিক্রি করে দৈনিক আয়ও হয়।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুলতান সেলিম বলেন, রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সারে ঝিঙে চাষ ভালো হয়ে থাকে। তাই এ বিষয়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ জৈব সার প্রয়োগ করে কৃষকরা সুফল পেয়েছেন।

 

খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝিঙের উপকার অনেক। কুষ্ঠ ও অর্শ রোগে ভীষণ উপকারী। তেতো ঝিঙে বেটে শরীরের ফোলা অংশে প্রলেপ লাগালে দ্রুত ফোলা কমে যায়। কৃমি, কফ প্রভৃতি রোগেও ঝিঙের ব্যবহারে উপকার মেলে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone