শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে ড্রেজার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হুমকি, ৪ বিএনপি নেতাসহ আটক-৬ হাত বদলে বাড়ে সবজির দাম; বঞ্চিত হন চাষিরা স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষকের যাবজ্জীবন ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নারী কৃষক দলের নেতৃত্বে সিআরএসএ মডেল জোরদারকরণের লক্ষ্যে সোলার পাম্প বিতরণ অনুষ্ঠিত সারের দাবিতে জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ, ডিলার ও মাঠকর্মী অবরুদ্ধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
লালমনিরহাটে করলায় লাভবান কৃষক, বাড়ছে আবাদ

লালমনিরহাটে করলায় লাভবান কৃষক, বাড়ছে আবাদ

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাটে এবার ব্যাপক হারে দেশী ও হাইব্রিড জাতের করলা চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ থেকে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে তারা বাজারে সবজিটির কাঙ্খিত দামে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

লালমনিরহাটে এবার উৎপাদিত করলা বাজারে উঠছে মাস দুয়েক আগে থেকেই।

 

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবার জেলায় গ্রীষ্মকালীন করলার বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় ও অর্থকরী হওয়ায় সবজিটি আবাদ করে জেলার বহু কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ফলে দিন দিন করলা চাষে বাড়ছে আগ্রহী কৃষকের সংখ্যা।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কোদালখাতা গ্রামের করলা চাষী সাইফুল ইসলাম, তিনি তার ১বিঘা জমিতে ৩বছর ধরে দেশি ও হাইব্রিড জাতের করলা চাষ করছেন। এবার বীজ, মাচা তৈরি ও শ্রমিকের মজুরিসহ তার প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ২৫হাজার টাকা।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ গ্রামের করলা চাষীরা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও করলার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ১শত মণ থেকে ১শত ২০মণ করলা উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমান দরে করলা বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদে প্রতি বিঘা ৪০হাজার থেকে ৫০হাজার টাকা লাভের আশা করছেন।

 

আরও বেশ কয়েকজন চাষী জানান, করলার রোগবালাই খুবই কম। কোনো কোনো সময় বৈরী আবহাওয়ার কারণে গাছ শুকিয়ে যায় কিংবা পচন ধরে। তবে কৃষি বিভাগের পরামর্শে রোগ বুঝে ঔষুধ প্রয়োগ করলে সুফল পাওয়া যায়।

 

গোশালা বাজারের আড়তদার বলেন, কৃষকরা করলা নিয়ে এলে আমরা তা অন্য জেলার বেপারিদের কাছে বিক্রি করে দেই।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুলতান সেলিম বলেন, লালমনিরহাট কৃষি প্রধান জেলা। এ এলাকায় ধান ও ভূট্টার পাশাপাশি প্রায় সব ধরনের সবজির চাষ হয়। বরাবরের মতো এবারো করলা চাষ করে জেলার কৃষকরা ভালো লাভ করেছেন। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। দিন দিন জেলায় করলার চাষ বাড়ছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের এ বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone