শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির মতবিনিময় সভা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠিত একজন সফল নিবেদিত প্রাণ সংগীত শিল্পী শ্রী মনিন্দ্র নাথ রায় মনি অভিযান সংঘের বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে পরিবেশ সংরক্ষণে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত ইস্কাপ সিরাপ এবং গাঁজা জব্দ সিসিটিভির সামনে ঘুষ গ্রহণ; ৪ পুলিশকে প্রত্যাহার পুলিশের ওপর হামলা করে মাদক মামলার আসামি ছিনতাই; র‍্যাবের অভিযানে গ্রেফতার-২ যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূর ওপর পৈশাচিক অ্যাসিড হামলা; প্রধান আসামি পাষণ্ড স্বামী পলাতক ভক্তি ও উল্লাসে উদযাপিত শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ‎লালমনিরহাটের প্রবেশদ্বার মিশন মোড় গোলচত্ত্বর তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে

বাড়ির উঠানে শোভাবর্ধন করেছে জবা ফুল

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রত্যকটি বাড়ির উঠানে উঠানে শোভাবর্ধন করেছে জবা ফুল।

 

জানা যায়, জবা একটি অতি সুন্দর ও খুবই আকর্ষণীয় ফুল গাছ। এ জবা ফুল গোলাপি, সাদা, লাল, হলুদসহ নানা বর্ণের হয়ে থাকে। আমাদের বাংলাদেশের সর্বত্রই দেখা যায় জবা ফুলের। সাধারণত শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে কম আর বেশি প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনা কিংবা বাড়ির ছাদে জবা ফুলগাছ লাগানো হয়ে থাকে।  মালভেসি গোত্রের অন্তর্গত চিরসবুজ পুষ্পধারী গুল্ম এই জবা ফুল। জব ফুলের উৎপত্তি পূর্ব এশিয়ায়। ১৭৫৩ সালে বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস-এর নাম দেন “Hibiscus rosa-sinensis”। লাতিন শব্দে “rosa-sinensis”-এর অর্থ “চীন দেশের গোলাপ”। বাংলায় নাম রক্তজবা, জবা, জবা কুসুম বলা হয়ে থাকে।

 

আরও জানা যায়, জবা ফুলের বংশবিস্তার হয়ে থাকে শাখা কলমের মাধ্যমে। প্রায় সারা বছরই ফোটে এ জবা ফুল। গাঢ় সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে জবা ফুল থাকে। গাছের উচ্চতা প্রায় ৮ থেকে ১৬ ফুট। পাতাগুলো চকচকে সবুজ ও ফুলগুলো উজ্জ্বল এবং পাঁচটি পাপড়িযুক্ত। ফুলগুলোর ব্যাস গড়ে ৪ ইঞ্চি এবং গ্রীষ্ম ও শরৎকালে ফোটে। জবা ১০ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না, তাই এর নিচের তাপমাত্রার অঞ্চলে জবাগাছ কাচের ঘরে জন্মে। ঔষধি গুণাগুণ সমৃদ্ধ জবা ফুল। বিভিন্ন রোগের ঔষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চোখ ওঠা দূর করতে জবাপাতার প্রলেপ দিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। সর্দি ও কাশিতে জবা ফুল বেটে রস করে পানিতে মিশিয়ে খেলে রোগী সুস্থ্য হয়। চুলের বৃদ্ধির জন্য জবাপাতার রস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগালে উপকার হয়।

 

লালমনিরহাট আদর্শ ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র রিজভী আহমেদ সৌরভ বলেন, জবা ফুল গাছ আমাদের বাড়ির উঠানেও রয়েছে। জবা ফুল ফুটলে সবার দৃষ্টি কারে। সেই সাথে বাড়ির সুন্দর্য্য বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone