শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা, তিস্তা ব্যারাজের সব গেট উন্মুক্ত প্রকল্পের সূচনা এবং বাহ্যিক অংশীজনদের পরিচিতিকরণ সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট-০২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষ মেরামতে ১৬লক্ষ টাকা ব্যয় কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠণ বাঁশ শিল্পীরা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন ‎শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে-এমপি রোকন উদ্দিন বাবুল ‎আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার লক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত গো-খাদ্যের তীব্র সংকট
কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িটি মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে

কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িটি মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট:

 

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাট এ জেলায় রয়েছে বহু ঐতিহাসিক নিদর্শন। এসব নিদর্শনের মধ্যে একটি হলো লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডারের জমিদার বাড়িটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে যা মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে।

 

জানা গেছে, তুষভান্ডার জমিদার বংশের গোড়াপত্তন ঘটে ১৬৩৪ সালে। এই বংশের পূর্বপুরুষ মুরারিদেব ঘোষাল ভট্টাচার্য ২৪ পরগনা জেলার অধিবাসী। মুরারিদেব ‘রসিক রায় বিগ্রহ’ নিয়ে কোচ মহারাজা প্রাণ নারায়নের রাজত্বকালে কোচবিহারে আগমন করেন এবং মহারাণী কর্তৃক একটি ‘উপঞ্চৌকি তালুক’ প্রাপ্ত হয়ে উত্তর ঘনেশ্যাম গ্রামে বসতি স্থাপন করেন এবং রসিক রায় বিগ্রহের পুজা শুরু করেন। উপঞ্চৌকি হল সেই সময়ে রঙ্গপুর অঞ্চলে প্রচলিত একটি প্রথা যা’দ্বারা মহারাজাগণ হিন্দু এবং মুসলিম উভয় ধর্মীয় কার্যাদী পালনের জন্য প্রজাদেরকে একটি করে তালুক (ভূখন্ড) দান করতেন। এভাবেই মুরারিদেব এ অঞ্চলের ছোটখাতা, বামুনিয়া ও শেখ সুন্দর মৌজা লাভ করেন। প্রতিষ্ঠা লাভ করে তুষভান্ডার জমিদারী। মুরারিদেব ব্রাহ্মণ ছিলেন জন্য শুদ্র কোচবিহার রাজার দান গ্রহনে আপত্তি জানিয়ে খাজনা গ্রহণের জন্য মহারাণীকে অনুরোধ জানান। মহারানীও ব্রাহ্মণের কাছ থেকে খাজনা নেওয়ার পরিবর্তে ‘তুষ’ (ধানের কুড়া) গ্রহণে সম্মতি জানান। এই তুষ দিয়ে কোচবিহার মহারাণী রাজবাড়ীতে যজ্ঞাদি ক্রিয়া সম্পাদন করতেন। মুরারিদেব কর্তৃক কোচ রাজাকে তুষ প্রদানের জন্য এগুলো সংরক্ষণ করা হত বর্তমান জমিদার বাড়ির পূর্ব দিকে। খাজনা প্রদানের জন্য সংরক্ষিত এই তুষের স্তুপ থেকেই এলাকাটির নাম সেই থেকেই তুষভান্ডার হয়েছে বলে ইতিহাসবিদরা জানায়। বর্তমানে এই জমিদার বাড়ি দেখার জন্য বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দর্শনার্থীরা দেখর জন্য আসে। তাই মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone