শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে ক্ষতিকারক ইউক্যালিপটাস গাছ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে লালমনিরহাটের বটতলার সড়কবাতি জ্বলে না! লালমনিরহাটের প্রাচীন বটগাছটি হেলে যাচ্ছে! লালমনিরহাটে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই চেষ্টা; ২ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার! লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে অব্যাহতি লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে গরু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ২লাখ ৪০হাজর টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ! উপকারভোগীর কাছ থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়ায় ক্ষেপে গেলেন প্রধানমন্ত্রী! লালমনিরহাটে সিজেজি সদস্যদের সাথে নেটওয়ার্কিং মিটিং অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট জিরো পয়েন্ট এখন শুধুই স্মৃতি : দর্শনার্থীদের ভিড়

লালমনিরহাটে যুবদল নেতার কান্ড!

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলায় সরকারি গোডাউনের মাঠ দখল করে যুবদল নেতার অফিস ও দোকান ঘর নির্মানের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের খাদ্য শস্য মজুদ রাখার জন্য মহিষখোচা বাজারে  একটি এলএসডি  গুদাম নির্মাণ করা হয়। গুদামটি সরকারি কাজে ব্যবহার না হলেও তা মাসিক হাজার টাকা ভাড়ায় ভাড়া দিয়ে রাজস্ব আদায় করছে সরকার। সেই গুদামের মাঠটি জবর দখল করে ৬টি দোকান ঘর তৈরি করেন মহিষখোচা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নুর আলম। দীর্ঘ দিন ধরে এসব দোকান ঘর ভাড়া দিয়ে ভাড়া অাদায় করছেন যুবদল নেতা নুর আলম। শুধু দোকান ঘরই নয়, সেখানে রয়েছে ওই যুবদল নেতার একটি অফিস ঘরও। যেখান থেকে ওই ইউনিয়ন যুবদলের কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। গুদামের রাস্তাসহ পুরো মাঠটি এবং গুদামে পাশে রাখা জমি পর্যাক্রমে দখলে নিয়েছেন যুবদল নেতা। ফলে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে সরকারি শস্য গুদামটি। সরকারের এ জমি উদ্ধার করে এলএসডি গুদামটি সংরক্ষনের দাবি জানিয়ে গতকাল রোববার (১৩ ডিসেম্বর) আজহার আলী মন্টু নামে অবসরপ্রাপ্ত একজন সেনা সদস্য আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন।

 

অভিযোগকারী অবসর প্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট আজহার আলী মন্টু সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াত বিএনপি’র আমলে এলএসডি গুদামের জমিটা দখলে নিয়েছেন যুবদল নেতা। সেখানে তিনি দোকান ঘর তৈরি করে ভাড়া দিয়েছেন। সরকারি জায়গা জবর দখল করে অফিসও করেছেন। এভাবে দীর্ঘ দিন ধরে বেদখল হয়ে পড়েছে সরকারি জমি। এটি উদ্ধার করে গুদামটি সংরক্ষন করতে ইউএনও বরাবরে এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ দিয়েছি।

 

দখলকারী মহিষখোচা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নুর আলম সাংবাদিকদের বলেন, গুদামের বাহিরটা ফাঁকা ছিল তাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে বলে আমরা দোকান ঘর করেছি। সরকার চাইলেই আমরা জায়গা ছেড়ে দিবো। তবে কোন লিজ নেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

 

মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, গুদামটি ভাড়া দেয়া আছে। তার মাঠ ও পাশের খোলা জায়গাটি অনেকেই জবর দখল করে গুদামকে অরক্ষিত করে ফেলেছেন। জবর দখলকারীদের অনেকবার সড়ানোর জন্য চাপ দিলেও কাজ হয়নি। সরকারি জমি উদ্ধার করে গুদামটি সংরক্ষন করার দাবি জানান তিনি।

 

আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে জবর দখলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভাযান চালিয়ে সরকারি সম্পদ উদ্ধার করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone