শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
৫দিন ব্যাপী শারদীয় দূর্গোৎসবের ধুম লেগেছে ধর্মীয় সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত একই দাগের জমিতে মসজিদ ও মন্দির দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদে উদযাপনের লক্ষ্যে বিজিবি রংপুর সেক্টর কমান্ডার কালীবাড়ী মন্দির পরিদর্শন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এসআরবি’র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ১লক্ষ ১৩হাজার ২শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ নজরুল বর্ষ উৎযাপন উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সরলখা উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলা; প্রধান শিক্ষকসহ ১৩ শিক্ষার্থী আহত কাজুবাদাম নিয়ে প্রশ্ন, নথিতে ৫টন স্থানীয়দের দাবি ১২টন
এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজে ভর্তি অনিশ্চিত মোছাঃ মাহবুবা আফরোজের

এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজে ভর্তি অনিশ্চিত মোছাঃ মাহবুবা আফরোজের

আলোর মনি রিপোর্ট: মাহবুবা আফরোজের ৭বছর বয়সে বাবা মারা যায। তিনি তাঁর বাবার একমাত্র মেয়ে। বাবার মৃত্যুর ৩বছর পর মায়ের অন্যত্র বিয়ে দেয় তার নানার পরিবার। দরিদ্র বৃদ্ধ নানা আব্দুল জলিলের  দিনমজুরের সামান্য আয়ে চলে সংসার। তিনি ছোটবেলা থেকে নানার বাড়িতে থেকে শত কষ্টের মাঝেও লেখা পড়া চালিয়ে যান। পরিবারে অভাব-অনাটন ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। ৩কিলোমিটার পথ পায়ে হেটে বিদ্যালয়ে নিয়মিত যাতায়ত করতেন। এরপরও টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে গেছে মোছাঃ মাহবুবা আফরোজ।

 

 

দারিদ্রতা আর শত বাধার জয় করে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা আরেফা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা-২০২০ এ মানবিক বিভাগ থেকে  জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোছাঃ মাহবুবা আফরোজ।

মোছাঃ মাহবুবা আফরোজের নানার বাড়ি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নবীনগর গ্রামের  আফতাব মোড়স্থ এলাকায়। তার বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন আর মা মোছাঃ মনোয়ারা বেগম।

মোছাঃ মাহবুবা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, আমার কষ্ট সার্থক হয়েছে।  আমি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে বিসিএস ক্যাডার হয়ে  শিক্ষার আলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।

 

নানী মোছাঃ আনিছা  বেগম সাংবাদিকদের  জানান, আমার নাতনী মাহবুবা আফরোজ প্রায়ই না খেয়ে স্কুল যেতো। তার বাবা নেই। তাঁর নানার দিনমজুরের সামান্য আয়ে কোন রকমে সংসার চলছে। সে প্রত্যেক ক্লাসে ভালো ফলাফল করেছে। আমরা গরিব মানুষ । আমাদের তো আর সামর্থ নেই নাতনীকে কলেজে পড়ানোর। এখন কোন দানশীল ব্যক্তি যদি তার লেখাপড়ার ভার বহন করে। তাহলে সে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারবে।

 

বাউরা আরেফা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের বলেন, মাহবুবা আফরোজ মেয়েটি খুবই নম্র-ভদ্র ও মেধাবী। অনেক কষ্টের মাঝে সব ক্লাসে ভালো ফলাফল করেছে।  গরিবের কারনে আমাদের স্কুলে আমরা তাঁকে লেখাপড়ার উপকরণ ও  বিনামূল্যে পড়ার ব্যবস্থা করেছি। যদি দেশের কোন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি তাকে পড়াশুনার সহযোগিতা করে। উচ্চ  শিক্ষা গ্রহণ করে ভবিষ্যতে ভাল কিছু করবে। মেয়েটির বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone