শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠণ বাঁশ শিল্পীরা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন ‎শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে-এমপি রোকন উদ্দিন বাবুল ‎আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার লক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত গো-খাদ্যের তীব্র সংকট নেশা জাতীয় ইস্কাপ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোটর সাইকেল জব্দ দিন দিন কৃষি পণ্য পরিবহনে ঘোড়ার গাড়ির কদর বাড়ছে আদিতমারী উপজেলা সমবায় অফিসার রিয়াজুল হক-এঁর ইন্তেকাল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর আর্থিক ও ত্রাণ সহায়তা প্রদান
লালমনিরহাটে হাত-পা বাঁধা নারীর ঘাতক স্বামী-স্ত্রীর বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন

লালমনিরহাটে হাত-পা বাঁধা নারীর ঘাতক স্বামী-স্ত্রীর বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর দূর্গম চরাঞ্চলে হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি প্যাচানো এক নারীর সন্ধান মিলেছে। উক্ত নারীর নাম শাহিনা বেওয়া। বয়স ৪০বছর। এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত স্বামী-স্ত্রীকে পুলিশ আটক করেছে। ঘাতক স্বামী দবিয়ার রহমান (৪০) ও তার স্ত্রী শাহিনা বেগম (৩৩) বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল সোমবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফাজ উদ্দিন-এঁর আদালত তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করে।

 

জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার খোঁচাবাড়ি গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের পুত্র দবিয়ার রহমান (৪০) ও তার স্ত্রী শাহিনা বেগম (৩৩)। এই দম্পত্তি মিলে গ্রাম্য কবিরাজ শাহীনা বেওয়াকে হত্যা করে। তারা হত্যাকান্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে  লাশ তিস্তার নদীর দূর্গম চরাঞ্চলের পাকার মাথায় ফেলে আসে।

 

আরও জানা যায়, গত শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি প্যাচানো অবস্থায় কৃষি শ্রমিকরা উক্ত নারীর লাশ দেখতে পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশকে খবর দেয়। লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা মৃত শাহিনা বেওয়ার লাশ সনাক্ত করেন। উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত শাহিনা বেওয়ার ভাই একরামুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৩৬ঘন্টায় কুলুলেচ এই হত্যা মামলার রহস্য বের করে ফেলেছেন। পরে এই হত্যাকান্ডের মূলহোতা পরকীয়া প্রেমিক দবিয়ার রহমান ও তার স্ত্রী শাহিনা বেগমকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেছে। পরে ঘাতক স্বামী-স্ত্রী হত্যার সাথে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি বিজ্ঞ আদালতের বিচারকে দিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone