শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৩সেন্টিমিটার উপরে! লালমনিরহাটে বিদ্যুতের সঙ্গে বন্ধ হয় মোবাইল নেটওয়ার্কও; হতাশায় এলাকাবাসী! লালমনিরহাটে খেলাধুলার মাঠে মাটির স্তূপ! লালমনিরহাটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদযাপিত দেশবাসীকে সাপ্তাহিক আলোর মনি’র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা লালমনিরহাটে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৪ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে জাতীয় মহাসড়কের ডিভাইডারে ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ড স্থাপন! লালমনিরহাটের সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান-এঁর শুভ জন্মদিন পালিত লালমনিরহাটের হযরত শাহ্ কবির (রহঃ) বড়দরগাহ মাজার শরীফ লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের সভাপতি ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবীতে- মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
লালমনিরহাটে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

লালমনিরহাটে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার কেতকীবাড়ী এলাকায় ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে রিংকু ও হাসান নামে দুই যুবকের বিরুদ্ধে।

 

রবিবার (৮ নভেম্বর) রাতে এ ঘটনায় হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ঐ ছাত্রীর বাবা মিলন। এর আগে গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) হাতীবান্ধা উপজেলার পুর্ব বিছনদই এলাকায় এ অপহরণের ঘটনাটি ঘটে। তবে বিষয়টি প্রেম ঘটিত বলে জানা গেছে।

 

অভিযুক্ত রিংকু (২০) হাতীবান্ধা উপজেলার কেতকীবাড়ী এলাকার মায়ানুর রহমানের পুত্র এবং হাসান (২০) একই এলাকার নুর ইসলামের পুত্র। মেয়েটি কেতকীবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব বিছনদই এলাকার মিলনের ৯ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে তার বাড়ির অদুরে (কেতকীবাড়ী টু ভোটমারী গামী পাকা রাস্তার ধারে) জনৈক গোলাপের মুদির দোকানে খরচ করতে যায়। এমন সময় রিংকু ও হাসান ঐ ছাত্রীকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে মোটর সাইকেলে তুলে অপহরণ করে কেতকীবাড়ী হাটের দিকে পালিয়ে যায়। এ সময় এলাকাবাসী এ ঘটনা দেখে রিংকু ও হাসানকে আটক করতে গেলে তারা দ্রুত মোটর সাইকেল চালিয়ে পালিয়ে যায়।

 

এদিকে ৯ম শ্রেণির ঐ ছাত্রীর পিতা মিলন বলেন, আমার নাবালিকা মেয়েকে অসৎ উদ্দেশ্যে রিংকু অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং তাকে সহযোগিতা করে হাসান। ঘটনার পর থেকে মেয়েকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আমি রিংকুর সাথে মোবাইল ফোনে অনেক অনুরোধ করলেও সে কোন কথা শুনেনি। এছাড়াও আমার মেয়ে বেঁঁচে আছে নাকি তাকে রিংকু মেরে ফেলেছে এবিষয়ে সে কিছুই জানিনা।

 

হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ এরশাদুল আলম জানান, এ বিষয়ে ছাত্রীর বাবা একটি লিখিত অভিযোগ থানায় জমা দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone