শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের যৌক্তিক দাবীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দের বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি! ভারতের সিকিম রাজ্যের প্রাক্তণ শিক্ষা মন্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার! লালমনিরহাটে ২ ছাত্রলীগের নেতার পদত্যাগ! লালমনিরহাটে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সন্তান কমান্ডের মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান লালমনিরহাটে পবিত্র আশুরার প্রস্তুতি চলছে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে জমি জবর দখলের চেষ্টায় থানায় অভিযোগ! লালমনিরহাটে জেলা প্রেস ক্লাব লালমনিরহাট এর কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদকে বহিস্কার! লালমনিরহাটে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৩৫হাজার টাকা জরিমানা
লালমনিরহাটে যুবক হত্যার ঘটনায় অবমাননার ঘটনা ঘটেনি

লালমনিরহাটে যুবক হত্যার ঘটনায় অবমাননার ঘটনা ঘটেনি

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে পিটিয়ে এবং পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনাটি ঘটেছে গুজবে। নিহত শহীদুন্নবী জুয়েল কোরআন অবমাননা করেনি। জাতীয় মানবধিকার কমিশনের অভিযোগ ও তদন্ত দলের পরিচালক আল মাহমুদ ফাউজুল কবির এমন দাবি করেছেন। বুড়িমারী বেন্দ্রীয় মসজিদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং বিভিন্ন জনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর সংবাদ মাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।

 

পুরো ঘটনাকে তিন ভাগে ভাগ করে তদন্ত করা হচ্ছে। সাক্ষীরা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। ফলে ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা, তা মাথায় রেখে তদন্ত করছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ ও তদন্ত দলের পরিচালক অাল মাহমুদ ফজলুল কবীর।

 

নিহত জুয়েল কোরআন অবমাননা করেনি। তার বিরুদ্ধে কোরআন অবমাননার গুজব ছড়ানো হয়েছে।

 

কমিশন তদন্ত করে ৭দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।

 

এ সময় কমিটির প্রধান ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ ও তদন্ত দলের পরিচালক আল মাহমুদ ফাউজুল কবির বলেন, নিহত জুয়েল কেন বুড়িমারীতে এলো? তাকে যখন মারধর করা হচ্ছে তখন তার সাথে থাকা অপর লোকটি তাকে রক্ষার চেষ্টা করেছে কি না? আবুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি তাকে হঠাৎ করে কেন মারধর করলো? নিহত জুয়েল কোরআন অবমাননা করেছে কিনা? ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হাফিজুল নিহত জুয়েলকে অন্য স্থানে না সরিয়ে দীর্ঘক্ষণ পরিষদে আটকিয়ে কেন রাখলো? অনেক পরে কি কারণে পুলিশকে খবর দেওয়া হলো? বহিরাগত লোকজন কার ডাকে আসলো? এ ঘটনায় কারো প্ররোচনা আছে কিনা সহ নানা বিষয়ে তদন্ত করতে হচ্ছে।

 

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পি এম রাহসিন কবির, সিনিয়ন সহকারী পুলিশ সুপার তাপস সরকার উপস্থিতি ছিলেন।

গুজবে যুবক হত্যা, সেদিন অবমানার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone