শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
মিড-ডে মিলের পুষ্টিকর খাবারের সঙ্গে বাড়ছে শিশু শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ট্রাক চাপায় ইজিবাইকের ৪ যাত্রী নিহত, আহত ৬ যাত্রী শুদ্ধাচার অনুশীলনে চল্লিশের চর্চা আলোচনা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে ক্যম্পেইন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এসআরবি-১৩ এর অভিযানে ৯৯টি বোতল এস্কাফ ও ২কেজি গাঁজাসহ ৩জনকে গ্রেফতার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ২লক্ষ ৪৮হাজার ৮শত টাকার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ বগি রেখে ২কিলোমিটার দূরে ইঞ্জিন, আড়াই ঘণ্টা সড়ক-রেল যোগাযোগ বন্ধ অবৈধভাবে পাথর তুললে আটকে খবর দিতে বললেন-এমপি হাসান রাজীব প্রধান ‎সবুজের সমারোহে ভরে উঠেছে লালমনিরহাটের সবজি গ্রাম

লালমনিরহাটে শোভাবর্ধন করেছে জবা ফুলগাছ

লালমনিরহাটের প্রত্যেকটি বাড়ির উঠানে উঠানে এবং সরকারি, বে-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে শোভাবর্ধন করেছে জবা ফুল। এরুপ চিত্র লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভা জুড়ে।

 

জবা একটি অতি সুন্দর ও খুবই আকর্ষণীয় ফুল গাছ। এ জবা ফুল গোলাপি, সাদা, লাল, হলুদসহ নানা রং ও বর্ণের হয়ে থাকে। আমাদের বাংলাদেশের সর্বত্রই দেখা যায় জবা ফুলের। সাধারণত শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে কম আর বেশি প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনা কিংবা বাড়ির ছাদে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জবা ফুলগাছ লাগানো হয়ে থাকে। মালভেসি গোত্রের অন্তর্গত চিরসবুজ পুষ্পধারী গুল্ম এই জবা ফুল। জব ফুলের উৎপত্তি পূর্ব এশিয়ায়। ১৭৫৩ সালে বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস-এর নাম দেন “Hibiscus rosa-sinensis”। লাতিন শব্দে “rosa-sinensis”-এর অর্থ “চীন দেশের গোলাপ”। বাংলায় নাম রক্তজবা, জবা, জবা কুসুম বলা হয়ে থাকে।

 

জবা ফুলের বংশবিস্তার হয়ে থাকে শাখা কলমের মাধ্যমে। প্রায় সারা বছরই ফোটে এ জবা ফুল। গাঢ় সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে জবা ফুল থাকে। গাছের উচ্চতা প্রায় ৮ থেকে ১৬ ফুট। পাতাগুলো চকচকে সবুজ ও ফুলগুলো উজ্জ্বল এবং পাঁচটি পাপড়িযুক্ত। ফুলগুলোর ব্যাস গড়ে ৪ ইঞ্চি এবং গ্রীষ্ম ও শরৎকালে ফোটে। জবা ১০ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না, তাই এর নিচের তাপমাত্রার অঞ্চলে জবাগাছ কাচের ঘরে জন্মে। ঔষধি গুণাগুণ সমৃদ্ধ জবা ফুল। বিভিন্ন রোগের ঔষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চোখ ওঠা দূর করতে জবাপাতার প্রলেপ দিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। সর্দি ও কাশিতে জবা ফুল বেটে রস করে পানিতে মিশিয়ে খেলে রোগী সুস্থ্য হয়। চুলের বৃদ্ধির জন্য জবাপাতার রস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগালে উপকার হয়।

 

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের ছাত্র রিজভী আহমেদ সৌরভ বলেন, জবা ফুল গাছ আমাদের বাড়ির উঠানেও রয়েছে। জবা ফুল ফুটলে সবার দৃষ্টি কারে। সেই সাথে বাড়ির সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone