শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মজিদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন ও গার্ড অব অনার প্রদান সাকোয়ার মঞ্জিল বিএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম শফি-এঁর ইন্তেকাল ১৬৪ ধারায় আদালতে বিধানের স্বীকারোক্তি ‘ক্ষোভ থেকে নন্দিনীকে হত্যা পর মরদেহ মাটি খুড়ে পুতে রাখেন বিধান’ প্রাচীর ভেঙ্গে বিল্ডিং নির্মাণ : ৬০লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে পুনরায় কারণ দর্শানো নোটিশ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন লালমনিরহাটের সোনালী দুর্নীতিবিরোধী রচনা, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত শিশু অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, ওসি প্রত্যাহার ডিসির গাড়ীও ভাংচুর, এনডিসিসহ আহত অর্ধশতাধিক ভূট্টাখেত থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় শিশুর মরদেহ উদ্ধার বিএডিসির সেচ কার্যক্রমে বদলে যাচ্ছে লালমনিরহাটের কৃষিচিত্র: এক ফসলি জমিতে এখন তিন ফসলের স্বপ্ন

রংপুর বিনোদন উদ্যান ও চিড়িয়াখানা

বিনোদন উদ্যান ও রংপুর চিড়িয়াখানা বা রংপুর চিড়িয়াখানা বাংলাদেশের রংপুরে অবস্থিত একটি চিড়িয়াখানা। এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বড় চিড়িয়াখানা। চিড়িয়াখানাটি ২১.৫১ একর (৮.৭০ হেক্টর) এলাকা জুড়ে রয়েছে। এতে সবুজ গাছ ও ঘাসের সমারোহ রয়েছে। চিড়িয়াখানাটি রংপুর পুলিশ লাইন সড়কের পাশে হনুমান-তলা রাস্তার পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটি জেলা প্রশাসন অফিস থেকে খুব বেশি দূরে নয়।

রংপুর কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা রংপুর শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র। এখানে রয়েছে শিশু পার্ক, রেস্তোরা, কৃত্রিম হ্রদ এবং বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও বৃক্ষ।

 

চিড়িয়াখানাটি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৮ সালের ১৪ আগস্ট পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে থাকা ২১.৫১ একর (৮.৭০ হেক্টর) জমিতে ১.৮ কোটি টাকা ব্যয়ে রংপুর চিড়িয়াখানার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দুই বছর পর ১৪ জুন ১৯৯১ সালে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। উন্মুক্তের সময় এখানে ২৩ প্রজাতির প্রাণী প্রদর্শন করা হয়েছিল।

 

২০১৮ সালের হিসাবে চিড়িয়াখানায় ২৬ প্রজাতির ২১৫টি প্রাণী ছিল। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী রয়েছে; এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সুন্দরবনের বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, গণ্ডার, জলহস্তী, হরিণ, বানর, চিতাবাঘ, ভাল্লুক, কুমির, অজগর, কচ্ছপ প্রভৃতি।

 

এছাড়াও রয়েছে ময়না, টিয়া, ময়ূর, কাকাতুয়া, কবুতর, বক সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone