শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে ক্ষতিকারক ইউক্যালিপটাস গাছ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে লালমনিরহাটের বটতলার সড়কবাতি জ্বলে না! লালমনিরহাটের প্রাচীন বটগাছটি হেলে যাচ্ছে! লালমনিরহাটে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই চেষ্টা; ২ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার! লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে অব্যাহতি লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে গরু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ২লাখ ৪০হাজর টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ! উপকারভোগীর কাছ থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়ায় ক্ষেপে গেলেন প্রধানমন্ত্রী! লালমনিরহাটে সিজেজি সদস্যদের সাথে নেটওয়ার্কিং মিটিং অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী মোগলহাট জিরো পয়েন্ট এখন শুধুই স্মৃতি : দর্শনার্থীদের ভিড়
গ্রামীণ খেলাধূলা লালমনিরহাটে আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে

গ্রামীণ খেলাধূলা লালমনিরহাটে আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে

কালের বিবর্তনে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে অনেক কিছুই। তেমনই হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ খেলাধূলাও। অনুরূপভাবেই লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধূলা আজ বিলুপ্তির পথে। এখানকার অত্যন্ত জনপ্ৰিয় খেলাগুলোর মধ্যে ছিল হা-ডু-ডু, ফুটবল, হেন্ডবল, কানামাছি, দাড়িয়াবান্দা, লুডু, কাবাডি ইত্যাদি খেলা কালের বিবর্তণে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। অথচ মাত্র ১৫বছর হতে ২০বছর আগেও প্রতিটি গ্রামের স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজ মাঠ এমনকি ধান কাটার পর খালি মাঠে এবং বাড়ীর পাশের খালি জায়গায় পর্যন্ত চলতো বিশেষ করে হা-ডু-ডু এবং ফুটবল খেলার তীব্র প্রতিযোগিতা। এসব খেলায় স্বর্ণ-রোপ্য দিয়ে তৈরি কাপ এমনকি ছাগল (খাসি), গরু, রঙিন টেলিভিশন পর্যন্ত উপহার দেয়া হতো। কতোই না মজা হতো যখন এক গ্রামের সাথে অন্য গ্রাম, এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমন কি বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হতো। গ্রামাঞ্চলের হাজার হাজার উৎসুক জনতা এ সব প্রতিযোগিতা দেখে কতই না আনন্দ উপভোগ করতেন।

শুধু যে গ্রামে তা কিন্তু নয়, শহরের ছোট ছোট ছেলেরাও হা-ডু-ডু এবং ফুটবল খেলার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতো। এ সব খেলায় দূর-দূরান্ত থেকে ভালো ভালো খেলোয়ারকে আনা হতো পক্ষে খেলে দেয়ার জন্য যাকে স্থানীয় ভাষায় “হায়ার” বলা হয়। যাদেরকে খেলার জন্য হায়ারে আনা হতো তাদের খাওয়ানো হতো জামাই আদরে এবং দেয়া হতো মোটা অংকের টাকা উপঢৌকন। অনুরূপ খেলা ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু। বর্তমান এই যুগে যার স্থান দখল করে নিয়েছে বলতে গেলে ক্রিকেট খেলা। এসব ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলো বর্তমান প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের কাছে মনে হবে রূপকথার গল্পের মতো। সে সময়তো স্কুল- মাদ্রাসা-কলেজ ছুটির পর শিক্ষার্থীরা বাড়ীতে এসে নিয়মিত বিকালে বাড়ীর পার্শ্বে মাঠে, বাড়ীর উঠানে এ সব খেলা খেলতো। আজ আর সেই দিন নেই! নেই আগের সে সব গ্রামীণ খেলাধূলা। তবে এখন ও কিছু কিছু হা-ডু-ডু, ফুটবল এবং ক্রিকেট খেলা চোখে পড়ে। তাও কালেভদ্রে।

এ ব্যাপারে এক সময়ের হা-ডু-ডু খেলোয়াড় পঞ্চাশর্ধ্ব নায়েব আলী বলেন, আগের দিনে আমরা মৌসুমে প্রায় দিনই এ খেলা খেলতাম। আমি ভাড়ায়ও দূর-দূরান্ত গ্রামে খেলতে যেতাম। যেসব এলাকায় এ খেলার অনুষ্ঠান হতো সেই সব এলাকায় ঈদের মতো আমেজ বইতো। এখন আর আগের মতো হা-ডু-ডু খেলা দেখা যায় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone