শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত র‍্যাবের অভিযানে ফেনসিডিল সমজাতীয় মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য, জিরা, চিনি, প্যান্ট পিছ ও বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ কৃষ্ণচূড়া ফুলে ফুলে লাল হয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে-‎দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সেমিনার অনুষ্ঠিত বুড়িমারী আমদানি-রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন নতুন কমিটি গঠন র‍্যাবের অভিযানে এস্কাফসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার র‌্যাবের অভিযানে ১১বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেফতার
জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিনারটি

জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিনারটি

আলোর মনি রিপোর্ট: ১৯৮০ সালের দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের স্মরণ করার জন্য তৈরি করে একটি শহীদ মিনার। সে সময় এখানে মানুষজন এই শহীদ মিনারে ২১শে ফেব্রুয়ারি ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপনের পাশাপাশি করতো বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠান। আজ ধিরে ধিরে লোক সমাজের আড়াল করে রেখেছে সেই শহীদ মিনারটি।

 

লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের বড়বাড়ি বাজারের কাঁচা বাজার (মহিলা মার্কেট) এর পিছনে জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে একটি শহীদ মিনার। কেউ নেয়নি কোন ধরনের মেরামতের উদ্যোগ। যার ফলে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে শহীদ মিনারটি।

 

এটি অত্র এলাকার এক সময়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থাকলেও এখনও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে সেটি। দীর্ঘ ৪২বছরেও শহীদ মিনারটির সংস্কারের নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।

 

জানা যায়, ১৯৮০ সালের দিকে বড়বাড়ি ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামের নুরুজামান মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মেহেরুল্লাহ, বাংগোর, হবিসহ কিছু যুবক এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করেন। সে সময় দূর থেকে অনেকে এসে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতো এই শহীদ মিনারে।

 

২০০১ সালের সালের পর থেকে এটি আর সংস্কার করা হয়নি। এভাবে ধীরে ধীরে বর্তমানে ধ্বংস প্রায় হয়ে গেছে এ শহীদ মিনারটি।

 

মহান ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ভাষা সৈনিক জহির উদ্দিন আহম্মদ বলেন, যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন সেই সরকারের নেতাদের নাম জাহির করতে ব্যস্ত থাকার ফলে ও প্রশাসনের জ্বি হুজুর স্বভাব বাস্তবায়ন করার ফলে এ রকম কাজগুলোর ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।

 

এলাকাবাসী জানান, মহান শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ২১শে ফেব্রুয়ারিতে আমরা ফুল দিতাম এই শহীদ মিনারে। বাজার কর্তৃপক্ষ আস্তে ধীরে শহীদ মিনারটিকে মানুষের চোখের আড়াল করতে শুরু করেন। এক সময় দু’একজন এর প্রতিবাদ করলেও এখন শহীদ মিনারটির বিষয়ে কেউ মুখ খুলে না। এখনও এই এলাকায় কোন শহীদ মিনার নেই। সরকার সুদৃষ্টি দিলে এর সঠিক সমাধান করা যাবে বলে এলাকাবাসী দাবি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone