গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু নন্দিনী রাণীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বলেছেন, মূলতঃ নির্মম, নৃশংস ও বর্বোরচিত হত্যা কান্ড। এটির নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। আমরা তার পরিবারের কাছে এসেছি, সরকারের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানানোর জন্য। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা শোকাহত নন্দিনী রাণীর পিতা-মাতাসহ পরিবারের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাতে এসেছি। যদিও বাজেট অধিবেশন চলমান আমাদের। বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই আমরা এসেছি। যত ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, প্রধানমন্ত্রী সেটা দেবে।
তিনি আরও বলেন, হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। যতটুকু জেনেছি হত্যার দায় স্বীকার করেছে জড়িত সন্দেহভাজনরা। পুলিশ দ্রুত কার্যদিবসের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবে। এরপর বিচার শুরু হবে। কোনো বিলম্ব হবে। রামিশা হত্যার বিচারের মতোই দ্রুত শিশু নন্দিনী রানী হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করে আদালতের রায় বাস্তবায়ন করবে সরকার।
মন্ত্রী আরও বলেন, মব সৃষ্টি করে যারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপর হামলায় জড়িত। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। নিরাপরাধ কোনো মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, এক্ষেত্রে পুলিশকে বিশেষ সতর্ক করা হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় লোকজনকেই প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে।
এ সময় ১৬, লালমনিরহাট-০১ (পাটগ্রাম -হাতীবান্ধা) সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার হাসান রাজিব প্রধান, ১৭, লালমনিরহাট-০২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান, লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী ঢাকা থেকে সকালে বিমান যোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে সড়ক পথে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে নন্দিনী রাণীর পিতা-নলিনী মোহন বর্মণের বাড়ীতে যান। এরপর মন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী আসন ১৮, লালমনিরহাট-০৩ (লালমনিরহাট সদর) উপজেলায় যান এবং লালমনিরহাট সার্কিট হাউজে পৌঁছান। রোববার (২১ জুন) পর্যন্ত তিনি লালমনিরহাটে অবস্থান করবেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।