শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মজিদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন ও গার্ড অব অনার প্রদান সাকোয়ার মঞ্জিল বিএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম শফি-এঁর ইন্তেকাল ১৬৪ ধারায় আদালতে বিধানের স্বীকারোক্তি ‘ক্ষোভ থেকে নন্দিনীকে হত্যা পর মরদেহ মাটি খুড়ে পুতে রাখেন বিধান’ প্রাচীর ভেঙ্গে বিল্ডিং নির্মাণ : ৬০লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে পুনরায় কারণ দর্শানো নোটিশ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন লালমনিরহাটের সোনালী দুর্নীতিবিরোধী রচনা, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত শিশু অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, ওসি প্রত্যাহার ডিসির গাড়ীও ভাংচুর, এনডিসিসহ আহত অর্ধশতাধিক ভূট্টাখেত থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় শিশুর মরদেহ উদ্ধার বিএডিসির সেচ কার্যক্রমে বদলে যাচ্ছে লালমনিরহাটের কৃষিচিত্র: এক ফসলি জমিতে এখন তিন ফসলের স্বপ্ন
লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে মহিষ

লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে মহিষ

লালমনিরহাট জেলায় কালের আবর্তে মহিষ বিলুপ্ত হতে চলেছে। আগের মতো আর লালমনিরহাট জেলায় মহিষ পালন চোখে পড়ে না। লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে অল্প কয়েকটি মহিষ এর সন্ধান পাওয়া গেছে।
লালমনিরহাট জেলায় আগে প্রায় প্রত্যেকটি পরিবারের কৃষকরা মহিষ পালন করতো। এ মহিষ দিয়ে তারা কৃষি জমি চাষবাদসহ মহিষ এর গাড়ি চালাতো। এখন এ এলাকায় আর মহিষের গাড়ী চোখে পড়ে না। মহিষের গাড়ী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কৃষিতে এসেছে নানান পরিবর্তন। এখন আর কৃষকরা মহিষ অথবা গরুর হাল দিয়ে চাষ বাদ দিয়ে দিয়েছে। এ মহিষ পালন কমে যাওয়ায় এখন এর দাম অনেক। এখন একটি ছোট মহিষ কম পক্ষে ৭০হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হয়। এখন আর আগে মতো লালমনিরহাট জেলার হাট-বাজারে মহিষ বিক্রি হয় না। মহিষের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, আগের মতো আর হাটে মহিষ বিক্রি হয় না। তাছাড়া অল্প সংখ্যক মহিষ আনা হয় বলে দাম অনেক বেশি। মহিষ পালন কমে যাওয়ায় এ জেলার মানুষের আর মহিষের মাংস খেতে পারে না। আগের সময় মাইক দিয়ে ঢোল বাজিয়ে হাট-বাজারগুলোতে মহিষের মাংস বিক্রি হতো। বর্তমানে সেই চিত্রটি বদলে গেছে। এক সময় মহিষের মাংস এ জেলার মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ করতো এবং এর মাংস খুবই সুস্বাধু ছিল।
মহিল পালন কমে যাওয়ায় এ জেলার মানুষের আমিষের চাহিদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অঞ্চলের সচেতন মানুষের ধারণা যদি বিলুপ্ত প্রায় মহিষ পালনে এ জেলার মানুষদের আগ্রহী করা যায় তাহলে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হবে, আমাদের আমিষের চাহিদাও মেটানো সম্ভব হবে।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের হরিপদ রায় হরি বলেন, এখন আর আগের মতো ঘাস না থাকায় মহিষ পালনে কেউ এগিয়ে আসে না। যদি পর্যাপ্ত ঘাসের ব্যবস্থা করা যায় এবং সরকারি সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা হয় তাহলে মহিষ পালন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone