শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা, তিস্তা ব্যারাজের সব গেট উন্মুক্ত প্রকল্পের সূচনা এবং বাহ্যিক অংশীজনদের পরিচিতিকরণ সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট-০২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষ মেরামতে ১৬লক্ষ টাকা ব্যয় কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠণ বাঁশ শিল্পীরা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন ‎শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে-এমপি রোকন উদ্দিন বাবুল ‎আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার লক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত কোদালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত গো-খাদ্যের তীব্র সংকট
জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ

আলোর মনি রিপোর্ট: চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লালমনিরহাটে নেপিয়ার জাতের ঘাসের ভাল ফলন হয়েছে। ফলে নেপিয়ার ঘাস চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে ঘাস চাষ লালমনিরহাটে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জানা যায়, লালমনিরহাটে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামে গরু মোটাতাজাকরণের জন্য নেপিয়ার ঘাস চাষ হচ্ছে। এই ঘাস গবাদি পশুকে খাওয়ানো হয়।

ফলে গরু মোটাতাজা হয় এবং গাভী গরুর প্রচুর দুধ হয়। বর্তমানে এই ঘাস পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। ফলে এক মুহূর্ত বসার সময় নেই কৃষকের হাতে। কাটা ঘাস গবাদি পশুকে খাওয়ানো হয়।

জমিতে ঘাস বীজ রোপণের পর এই ঘাস বড় হলে কাটা হয় এবং কিছু দিন পর এমনি থেকে আবার ঘাস গজায়। সার ও পানি সেচ দিলে ঘাস তাড়াতাড়ি বড় হয়। লাভজনক বলে কৃষকরা নেপিয়ার ঘাস চাষে ঝুঁকে পড়েছে। এক বার কাটার পর আবার এক থেকে দেড় মাস পর ঘাস কাটা যায়। ঘাস চাষীরা নিজেদের গবাদি পশুকে এ ঘাস খাওয়ান। লালমনিরহাটে অনেক গরুর খামার গড়ে উঠেছে। নেপিয়ার ঘাস চাষের ফলে খামার মালিকরা উপকৃত হচ্ছে।

মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের হযরত আলী জানান, নেপিয়ার জাতের ঘাস আমিও চাষ করেছি। এটা লাভজনক ফসল। এতে করে বাড়তি খাদ্যের চাহিদা কমেছে। গরু-ছাগল পালনের জন্য এ ঘাস উপকারী।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone