শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে ড্রেজার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হুমকি, ৪ বিএনপি নেতাসহ আটক-৬ হাত বদলে বাড়ে সবজির দাম; বঞ্চিত হন চাষিরা স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষকের যাবজ্জীবন ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নারী কৃষক দলের নেতৃত্বে সিআরএসএ মডেল জোরদারকরণের লক্ষ্যে সোলার পাম্প বিতরণ অনুষ্ঠিত সারের দাবিতে জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ, ডিলার ও মাঠকর্মী অবরুদ্ধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
পান চাষে স্বাবলম্বী কোদালখাতার অনিল চন্দ্র বর্মন

পান চাষে স্বাবলম্বী কোদালখাতার অনিল চন্দ্র বর্মন

Exif_JPEG_420

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাটের কোদালখাতায় পান চাষ করে সংসারের হাল ধরেছেন কৃষক অনিল চন্দ্র বর্মন। সামান্য পুঁজিতে এ কৃষক কঠোর পরিশ্রম করে পান চাষ করেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। মাত্র ৩৬শতাংশ জমি পান চাষে ব্যবহার করেছেন। শুধু খরচ বাদে প্রতি বছর তার আয় হবে প্রায় ৩লক্ষ টাকার উপরে। তবে কাজটি করতে গিয়ে তার অনেক বেগ পেতে হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এক এক জায়গায় চলে যেতে হয়েছে তাকে। বর্তমানে দিনদিন পানের উপর সফলতার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

 

লালমনিরহাট জেলা শহরের সাপটানা বাজার সড়ক পেরিয়ে মাত্র ৩কিলোমিটার দূরে মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা গ্রামের কৃষক অনিল চন্দ্র বর্মনের বাড়ি।

 

অনিল চন্দ্র বর্মনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এক পুত্র জনক তিনি। শখ করে গাইবান্ধা জেলার কামারপাড়া থেকে পান গাছ নিয়ে আসেন বাড়িতে। পান বরজে সরিষার খৈল ও গোবর ব্যবহার করে বাঁশের খুঁটিতে পুঁতে রেখে জমি চাষের উপযোগী করে মাচান তৈরি করেন তিনি। এ কাজে তার বাড়ির লোকজন সহায়তা করেন। প্রথমে কম লাভ আসলেও বরজ তৈরির পর বর্তমানে পান উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।

 

কৃষক অনিল চন্দ্র বর্মন জানান, খৈল ও জৈব সার তৈরি করে তা ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছেন তিনি।

 

জানতে চাইলে অনিল চন্দ্র বর্মন বলেন, পানের বরজ থেকে প্রায় সারাবছরই কৃষক আয় করতে পারেন। অর্থনৈতিক বিবেচনায় পানচাষ লাভজনক। তাছাড়াও কোদালখাতার মাটি পানচাষের জন্য সম্বাবনাময়।

 

তিনি আরও বলেন, বাড়াই জাতের পানের চাষ হচ্ছে এখানে। এদিকে বাড়াই পানের চারা ক্রয়ে ৪০হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। যা শ্রাবণ মাসের প্রথম সপ্তাহে রোপন করা হয়েছে। আর উৎপাদন শুরু হয়েছে ভাদ্র মাসে। ছোট সাইজের পানের বিড়া ২০টাকা থেকে ৩০টাকা ও মাঝারী সাইজের বিড়া ৫০টাকা এবং বড়/ খিলি পান বিড়া ৮০টাকা থেকে ১০০টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। যা স্থানীয় পান ব্যবসায়ী সাবু, আলমগীর, ইসরাইল, আনোয়ার পান ক্রয় করে থাকেন।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1895827757267208&id=100005200061235

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone