শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
৫দিন ব্যাপী শারদীয় দূর্গোৎসবের ধুম লেগেছে ধর্মীয় সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত একই দাগের জমিতে মসজিদ ও মন্দির দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদে উদযাপনের লক্ষ্যে বিজিবি রংপুর সেক্টর কমান্ডার কালীবাড়ী মন্দির পরিদর্শন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এসআরবি’র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ১লক্ষ ১৩হাজার ২শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ নজরুল বর্ষ উৎযাপন উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সরলখা উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলা; প্রধান শিক্ষকসহ ১৩ শিক্ষার্থী আহত কাজুবাদাম নিয়ে প্রশ্ন, নথিতে ৫টন স্থানীয়দের দাবি ১২টন
মহান মুক্তিযুদ্ধে লালমনিরহাট

মহান মুক্তিযুদ্ধে লালমনিরহাট

আলোর মনি রিপোর্ট: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর দেশের অন্যান্য এলাকার ন্যায় এ এলাকার মানুষও মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। গঠন করা হয় সর্বদলীয় স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও সর্বদলীয় স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ। গড়ে তুলে দুর্বার প্রতিরোধ।

 

৪ এপ্রিল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী লালমনিরহাটে প্রবেশ করলে তাদের দখলে চলে যায় এ জনপদটি শুরু হয় হত্যা, নির্যাতন, লুটপাট আর বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। হানাদার বাহিনী ও তার দোসররা সবচেয়ে বড় গণহত্যাকান্ড চালায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার লালমনিরহাট রেলওয়ে ওভার ব্রীজের পশ্চিম পাড়ের রিক্সা স্ট্যান্ডে। সেখানে স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানী বাহিনী রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অনেক বাঙ্গালীকে ধরে নিয়ে আসে। সেখানে তাদের একত্র করে গুলি করে হত্যা করে। পরে তাদের লাশ খোর্দ্দ সাপটানায় রেলওয়ে ডি.আর.এম অফিসের পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিরাট গর্তে এবং সুইপার কলোনী সংলগ্ন পুকুরসহ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়া হয়। এর মধ্যে একজনই জীবিত ছিল। পাকিস্তানী সেনারা চলে যাওয়ার পর জীবিত রেলওয়ে কর্মচারী আবুল মনসুর গর্ত থেকে উঠে আসেন।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের আইরখামার গ্রামে ব্যাপক নর হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানী সেনারা। আইরখামার ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে ধরে এনে অনেক বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়।

 

১৯৭১ সালের ৪ ও ৫ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর প্রবল আক্রমণ এবং মিত্রবাহিনীর বিমান হামলায় পর্যুদস্ত হয়ে ৬ ডিসেম্বর ভোরে পাকিস্তানী বাহিনী লালমনিরহাট ছাড়তে বাধ্য হয়। ফলে ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট মুক্ত হয়।

 

উল্লেখ্য যে, স্বাধীনতার ৫০বছরেও লালমনিরহাটের বধ্যভূমিগুলি আজও চিহ্নিতকরণ করা হয়নি। যেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো অবহেলা আর অযত্নে পড়ে আছে। এ গুলো সংস্কার, সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone