শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
নজরুল বর্ষ উৎযাপন উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সরলখা উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলা; প্রধান শিক্ষকসহ ১৩ শিক্ষার্থী আহত কাজুবাদাম নিয়ে প্রশ্ন, নথিতে ৫টন স্থানীয়দের দাবি ১২টন জ্বালানী তেল এবং গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত সরকারি কবুলত জমি নিয়ে বিরোধ; ১২শতাংশ দখলের চেষ্টার অভিযোগ ৪র্থ জেলা স্কাউট সমাবেশ এর মহাতাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত বিপন্ন সপ্তপর্ণী ছাইত্তান ফুলের ঘ্রাণে মুখরিত লালমনিরহাট শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আনা ভারতীয় প্রসাধনীসহ ২জন গ্রেফতার খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

অপহরণের ২৬দিনেও উদ্ধার হয়নি নাবালিকা জুঁই

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলায় অপহৃত কিশোরীর সন্ধান পাওয়ার ২৬দিন পেরিয়ে গেলেও কিশোরীকে উদ্ধার ও মামলা নথীভুক্ত করেনি আদিতমারী থানা পুলিশ। এদিকে অপহরণের ঘটনায় দায়েরকৃত এজাহার নামীয় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, লালমনিরহাট

জেলার আদিতমালী উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের চওড়াটারী এলাকার হামিদুল ইসলামের কন্যা আরজু আক্তার জুঁই (১৪) স্থানীয়

একটি প্রাইমারী স্কুলের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী। পার্শবর্তী বানিয়াটারী এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমানের বখাটে নাতী নাইম হোসেন (১৯) নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে ওই নাবালিকা কিশোরীকে প্রায় সময় উত্ত্যক্ত করতো। মাঝে মধ্যে নাইমের খালু প্রতিবেশি হালিমের বাড়িতেও বেড়াতে এসে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে গত ২৫ জুলাই সন্ধ্যায় নাইম ও আরও কয়েকজন মিলে ওই নাবালিকা কিশোরীকে অপহরণ করে। পরদিন প্রতিবেশি হালিম খবর দেয় নাবালিকা ওই কিশোরী নাইমের নিজ বাড়ি বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার হলুদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। পরে কিশোরীর বাবা হামিদুল ইসলাম বাদী হয়ে নাবালিকা কন্যাকে ফেরত পেতে নাইমসহ ৫জনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহার দায়েরের ১৪দিন পর থানার এসআই মিজানুর রহমান এজাহার নামীয় আব্দুল হালিম নামে এক অভিযুক্ত আসামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে অজ্ঞাত কারনে ওইদিন বিকালেই আদিতমারী থানা পুলিশ সেই অভিযুক্ত আব্দুল হালিমকে ছেড়ে দেয় এবং নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দিয়ে ঘটনা মিমাংসা করে নেয়ার কথা বলে।

 

এ সময় অভিযুক্ত ছেলে নাইমের বাবা আজাদুল হক নাবালিকা কন্যাকে যৎ সামন্য টাকা দেন মোহরানায় তার ছেলের সাথে বিয়ে দেয়ার চাপ দেয়। কিন্তু ওই কিশোরীর বাবা হামিদুল ইসলাম নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে না দিয়ে ছেলের বাড়ি থেকে ফেরত আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

 

নাবালিকা মেয়ের বাবা হামিদুল ইসলাম অনুনয়ের সাথে আরও বলেন, আমার মেয়ের বয়স তের বছর আট মাস, সে বিয়ের কি বোঝে, আপনারা স্যার আমার মেয়েকে আনার ব্যবস্থাা করে দেন। আমার মেয়েকে তারা মেরে ফেলতে পারে, তাই আমার মেয়েকে আমি ফিরত চাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone