শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকঃ) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত শতভাগ পাশকৃত প্রতিষ্ঠান নেই, একজনও পাশ করেনি ২টি মাদ্রাসায় সারের দাবিতে রোপা-আমন চাষিদের মহাসড়ক অবরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক র‍্যাবের মাদকবিরোধী টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত আয়কর আইন আনীত পরিবর্তন সমূহের উপর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপসহ ২জন আটক রবি মৌসুমের সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা জুয়া খেলায় নিষেধ করায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কৃষকেরা রোপা-আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি সিরাজুল ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুর ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন মালামাল জব্দ
কৃষকরা সিম চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে

কৃষকরা সিম চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: সবুজের সমারোহে ভরে উঠেছে লালমনিরহাট। খাদ্য শস্য ভান্ডার নামে খ্যাত লালমনিরহাটে নিজ উদ্যোগে সিম চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকগণ। লালমনিরহাট জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে বাড়ছে সিমের চাষ। অনাবাদি জমিতে গত দেড় যুগের মতো নিজ উদ্যোগে কৃষকরা নানা পদ্ধতিতে বিভিন্ন জাতের সবজির আবাদ করে আসছে। বিগত কয়েক বছর সবজি আবাদের তালিকায় যোগ হয়েছে সিম। এ আবাদ প্রতি বছর বেড়েই চলছে, অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে লালমনিরহাটের কৃষকরা।

 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সিমের চাষ হচ্ছে। প্রতিটি পরিবার নিজেদের বাড়ির আঙ্গিনা ও আশপাশের জমিতে নানা পদ্ধতিতে সিম চাষ করছে। চরাঞ্চলের বাড়িগুলোর চারপাশ ঘিরে রয়েছে সবুজ সিম গাছে।

 

কৃষকরা জানান, গত দেড় যুগ থেকে এখানে কৃষকরা নিজ উদ্যোগে নানা পদ্ধতিতে সিম, শসা, চিচিংগা, বরবটি, করলাসহ নানা সবজির চাষ শুরু করে। জমিগুলোকে কেটে নালা ও আইলে পরিণত করা হয়।

 

এ জেলার কৃষকরা উৎপাদন করেই জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে। আর্থিক ও সামাজিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে কৃষকরা। সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন সহযোগিতা পাননা তারা। বিভিন্ন এনজিও ও কীটনাশক কোম্পানীর লোকজনের পরামর্শই তাদের একমাত্র সহযোগিতা।

 

কৃষকদের দাবী চাহিদা অনুযায়ী স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়মিত তদারকি থাকলে কৃষকরা জেলার অর্থনীতিকে আরও মজবুত করতে সক্ষম হবে। একই সাথে নিজেদেরও আর্থসামাজিক মর্যাদা বাড়বে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone