শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল জব্দ সমবায় সমিতি আইন ও বিধিমালা বিষয়ক ইনহাউজ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের এক ব্যতিক্রমি উদ্যোগ ‎‎দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে-মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি বাল্যবিবাহ ও কিশোরী গর্ভধারণ প্রতিরোধে স্কুল বিতর্ক অনুষ্ঠিত শ্রী ফনী রাম বর্মনের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিএনপির মতবিনিময় সভায় দুই গ্রুপে বাকবিতন্ডা ও হট্টগোল বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাড. হুমায়ুন কবির মিঠুল-এঁর ইন্তেকাল বাল্যবিবাহ ও কিশোরী গর্ভধারণ প্রতিরোধে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা
দুই জেলার মানুষের ভরসা একটি কমিউনিটি ক্লিনিক : ক্লিনিকটি যেন নিজেই রুগী

দুই জেলার মানুষের ভরসা একটি কমিউনিটি ক্লিনিক : ক্লিনিকটি যেন নিজেই রুগী

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলা ও কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার চর অঞ্চলের কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ চিকিৎসা নেন একটি  মাত্র কমিউনিটি ক্লিনিকে।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের চর বুদারু, ভেরভেরি, বড় বাসুরিয়া, ছোট বাসুরিয়া, কাইম বাসুরিয়া, পেটফিকার চর, সোনাতোলা, খেদাবাগ, ফকির পাড়া, বিদ্যাবাগিস এবং কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের মেকলী, কাশিয়াবাড়ির চর ও ধনীরাম এলাকার কয়েক হাজার মানুষের ভরসা বড়বাসুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকটি।

বড়বাসুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের অবস্থা খুব জরাজীর্ণ। চর অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের ভরসা ক্লিনিকটি যেন নিজেই রুগী সেজে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

 

সেখানকার কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী সাইদুল রহমান বলেন, ২০১৭ সালের বন্যায় ক্লিনিকের ভিতরে ৫-৬ ফুট পানি উঠেছিল, তাছাড়া ও প্রতিবছর বন্যার পানি যেন ক্লিনিকটিকে ছাড়ছেই না, সে সময় থেকে বৃষ্টি হলেই ভিতরের সবকিছু ভিজে যায়। পাশের লেবার রুমের টিনের চালাটি দিয়ে আকাশ দেখা যায়।

 

বড়বাসুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের (সিএইচসিপি) মিজানুর রহমান বলেন, এখানে যা ঔষধ সাপ্লাই দেওয়া হয় তা দিয়ে ক্লিনিক চালানো সম্ভব হয়না, পাশের উপজেলা রাজারহাট ছিনাইয়ের একতা বাজারের কমিউনিটি ক্লিনিকটি ধসে যাওয়ার ফলে অন্যের বাড়িতে সিসির সেবা চালু রাখার কারনে সবধরনের রুগী সেখানে যেতে পারেনা। ফলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যাওয়ায় আমাদের এখানে চাপ অনেক গুণ বেড়েছে। অবকাঠামো মেরামত ও ঔষধের পরিমান আরও বাড়ানো দরকার। স্থানীয় এলাকাবাসীর জোড়ালো দাবি যাতে, উক্ত সিসিতে কিছু সংখ্যক সেচ্ছাসেবক ও আয়া নিয়োগ করে সেবা প্রদান করা হয় যাতে আমাদের দুর্ভোগ কমে যায়।

 

বড়বাসুড়িয়া এলাকার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রায়ই দেখি রুম পরিস্কার করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ (সিএইচসিপি) নিজেই করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone