শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু’র চমক! নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে সাংবাদিকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠিত ফিরে দেখা: জাতীয় পরিষদ, প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাঁরা নির্বাচিত! লালমনিরহাট-০২ আসনে পূর্ণাঙ্গ ভোট গণনার দাবিতে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত লিচু গাছে গাছে সোনালী মুকুল যাঁরা জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন! উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ ‎ভোটের সময় সবাই বলেন লালমনিরহাটের শিবেরকুটি সরেয়ারতল ঘাটে ব্রিজ হবে, ভোট শেষে খবর থাকে না আগামীকাল লালমনিরহাটের তিনটি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ডাঃ আবুল মহসিন প্রামানিকের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
দুই জেলার মানুষের ভরসা একটি কমিউনিটি ক্লিনিক : ক্লিনিকটি যেন নিজেই রুগী

দুই জেলার মানুষের ভরসা একটি কমিউনিটি ক্লিনিক : ক্লিনিকটি যেন নিজেই রুগী

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলা ও কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার চর অঞ্চলের কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ চিকিৎসা নেন একটি  মাত্র কমিউনিটি ক্লিনিকে।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের চর বুদারু, ভেরভেরি, বড় বাসুরিয়া, ছোট বাসুরিয়া, কাইম বাসুরিয়া, পেটফিকার চর, সোনাতোলা, খেদাবাগ, ফকির পাড়া, বিদ্যাবাগিস এবং কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের মেকলী, কাশিয়াবাড়ির চর ও ধনীরাম এলাকার কয়েক হাজার মানুষের ভরসা বড়বাসুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকটি।

বড়বাসুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের অবস্থা খুব জরাজীর্ণ। চর অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের ভরসা ক্লিনিকটি যেন নিজেই রুগী সেজে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

 

সেখানকার কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী সাইদুল রহমান বলেন, ২০১৭ সালের বন্যায় ক্লিনিকের ভিতরে ৫-৬ ফুট পানি উঠেছিল, তাছাড়া ও প্রতিবছর বন্যার পানি যেন ক্লিনিকটিকে ছাড়ছেই না, সে সময় থেকে বৃষ্টি হলেই ভিতরের সবকিছু ভিজে যায়। পাশের লেবার রুমের টিনের চালাটি দিয়ে আকাশ দেখা যায়।

 

বড়বাসুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের (সিএইচসিপি) মিজানুর রহমান বলেন, এখানে যা ঔষধ সাপ্লাই দেওয়া হয় তা দিয়ে ক্লিনিক চালানো সম্ভব হয়না, পাশের উপজেলা রাজারহাট ছিনাইয়ের একতা বাজারের কমিউনিটি ক্লিনিকটি ধসে যাওয়ার ফলে অন্যের বাড়িতে সিসির সেবা চালু রাখার কারনে সবধরনের রুগী সেখানে যেতে পারেনা। ফলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যাওয়ায় আমাদের এখানে চাপ অনেক গুণ বেড়েছে। অবকাঠামো মেরামত ও ঔষধের পরিমান আরও বাড়ানো দরকার। স্থানীয় এলাকাবাসীর জোড়ালো দাবি যাতে, উক্ত সিসিতে কিছু সংখ্যক সেচ্ছাসেবক ও আয়া নিয়োগ করে সেবা প্রদান করা হয় যাতে আমাদের দুর্ভোগ কমে যায়।

 

বড়বাসুড়িয়া এলাকার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রায়ই দেখি রুম পরিস্কার করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ (সিএইচসিপি) নিজেই করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone