শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি থেকে অপরূপ কাশফুল নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে-মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এমপি ‎শিক্ষার মানোন্নয়নে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে এক বছরে দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ৭লক্ষ ৬০হাজার টাকার ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ী জব্দ ১শত ৫পিস ইয়াবাসহ তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি মমি গ্রেফতার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে ড্রেজার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হুমকি, ৪ বিএনপি নেতাসহ আটক-৬

কৃষকেরা রোপা-আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত

চলতি রোপা-আমন মৌসুমের এ সময়ে ধান পরিচর্যা করছেন লালমনিরহাট জেলার কৃষক ও শ্রমিকরা। ইরি-বোরো শেষে রোপ-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন তারা। বর্তমানে ধান গাছের পরিচর্যায় যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের।

‎কৃষি নির্ভর লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রায় ৮০ ভাগ মানুষের ফসল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটে।

‎গত ইরি-বোরো মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ায় অনেক কৃষকের পাকা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তবে ধান ও খড় তেমন পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ধানের দাম ভালো।

‎এতে লোকসান কাটিয়ে কোনো রকমে উৎপাদন খরচ জুটছে কৃষকের কপালে। এমনটি বলছিলেন কোদালখাতা গ্রামের কৃষক কমল কান্তি বর্মন ও ফুলগাছ গ্রামের হরি পদ রায় হরি।

‎ইরি-বোরো কর্তন শেষে রোপা-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন কৃষক ও শ্রমিকরা। বাড়ির আশ-পাশে বিস্তীর্ণ রোপা-আমন ফসলের মাঠ, সবুজে সমারোহ। কেউ ধান গাছের আগাছা পরিস্কার করছেন। আবার কেউ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। সবুজ পাতায় বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন।

‎ফুলগাছ গ্রামের কৃষক হযরত আলী ভাষায় এ লালমনিরহাট জেলায় রোপা-আমন এর বিভিন্ন জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করা হয়।

‎ধান গাছের চেহারায় তিনি মুগ্ধ। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ ও আগাছা পরিস্কারে ব্যস্ত রয়েছেন আর সব কৃষকের মতো তিনিও।

‎লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৮০হাজার হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।

‎উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কৃষক গোলায় উঠাবেন সোনার ফসল এমন প্রত্যাশায় আশাবাদি তিনি।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কয়েক দফার বন্যায় লালমনিরহাট জেলার আমন ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল; যার সামান্য কিছু নষ্ট হলেও নতুন করে রোপণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone