শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি থেকে অপরূপ কাশফুল নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে-মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এমপি ‎শিক্ষার মানোন্নয়নে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে এক বছরে দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ৭লক্ষ ৬০হাজার টাকার ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ী জব্দ ১শত ৫পিস ইয়াবাসহ তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি মমি গ্রেফতার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
একটি জনপথের সার্বিক উন্নয়নের মূলমন্ত্র সেতু-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি

একটি জনপথের সার্বিক উন্নয়নের মূলমন্ত্র সেতু-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, একটি জনপথের সার্বিক উন্নয়নের মূলমন্ত্র সেতু। আমি মনে করি সেতুটি এ জনপথের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৩টায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের কুলাঘাট বাজার সংলগ্ন লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের আয়োজনে এ রত্নাই ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান, লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশল দেবাশীষ সাহা, লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীতা দাস, কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইদ্রিস আলীসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ ও সেতুর গুরুত্ব তুলে ধরে ত্রাণ মন্ত্রী আরও বলেন, এই রত্নাই সেতু চালুর ফলে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার মধ্যকার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্ভোগের চিরতরে অবসান ঘটল। এখন থেকে দুই জেলার মানুষ ও সকল প্রকার ভারী-হালকা যানবাহন লালমনিরহাট-ফুলবাড়ী হয়ে খুব সহজেই নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী ও কুড়িগ্রামে সরাসরি সড়ক পথে চলাচল করতে পারবে। নদী পারাপারের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হয়ে যাতায়াত এখন হবে আরও নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও দ্রুততম। ফলে অত্র অঞ্চলের কৃষি পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রায় ২০কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে রত্নাই ব্রিজটি। এর দৈর্ঘ্য ১৩০মিটার এবং প্রস্থ ১০দশমিক ৫মিটার। ‘প্রজেন্ট ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড কংক্রিট অ্যান্ড স্টিল টেকনোলজি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করেছে।

২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। সংযোগ সড়ক, রং ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ইনচার্জ এস. এম. রিয়াজ মোর্শেদ বলেন, জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তবে বর্তমানে দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করা হয়েছে। কোরবানির ঈদের চার দিন আগেই সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হয়। দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজও শেষ হয়েছে। সড়কের দুই পাশে গাইডওয়াল বিভিন্ন রঙে সাজানো হয়েছে।
তিনি জানান, উদ্বোধনের পর মূল সেতুর রেলিংয়ের কিছু কাজ সম্পন্ন করা হবে।

লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দেবাশীষ সাহা বলেন, সেতুর মূল কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে সংযোগ সড়ক ও রঙের কিছু কাজ চলছে।

রত্নাই সেতু চালু হওয়ায় শুধু একটি নদীর ওপর যোগাযোগের নতুন পথই তৈরি হলো না; দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন ও ঘুরপথে চলা দুই জেলার মানুষের জন্য খুললো সরাসরি যোগাযোগের নতুন দুয়ার। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এর মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে যুক্ত হবে নতুন গতি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone