শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
১৫ বিজিবি’র অভিযানে ২লক্ষ ১৩হাজার ২০টাকার ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মালামাল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে- সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত আর্থ-সামাজিক প্রভাব নিরূপণ সম্পর্কিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেককাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৩কেজি গাঁজাসহ ২জন মাদক কারবারি গ্রেফতার মতবিনিময় সভায় মারামারি; বিএনপি নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সাত দফা দাবি আদায়ে দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ১লক্ষ ২৬হাজার ২শত ৫০টাকার ভারতীয় ইস্কাপ ও ফেয়ারডিল সিরাপ এবং গাঁজা জব্দ শনিবার ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে দলিল লেখক সমিতির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ চার মাদক কারবারির ১০বছর কারাদণ্ড

লালমনিরহাটে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় চার আসামিকে ১০বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক এস এম শফিকুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

‎​দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের খামারভাতি এলাকার আজিজার রহমানের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, মৃত জয়নাল হোসেনের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন এবং হাতীবান্ধা উপজেলার উত্তর জাউরানী এলাকার হজরত আলীর ছেলে মোস্তাফিজার রহমান ও তারা মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন।

‎​মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২০২২ সালের ১৮ জুন লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর একটি টহল দল সীমান্ত ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় একটি ইজিবাইক তল্লাশি করে ৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ ওই চার মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। পরে বিজিবি বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে হাতীবান্ধা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে।

‎​পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করলে আদালত দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আজ এই চাঞ্চল্যকর রায় প্রদান করেন।

‎​রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ও আইনজীবী অ্যাড. সামসুল আলম মিলন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, মাদক মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের কঠোর এই সাজা দিয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে আদালতের জিরো টলারেন্স নীতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone