শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বৃক্ষ শূন্যতাই ডেকে আনতে পারে পরিবেশ বিপর্যয়; প্রত্যেকেই হোন বৃক্ষপ্রেমী দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত; স্বজন ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভে মহাসড়ক অবরোধ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের তালাবদ্ধ করে রাখল ছাত্র-ছাত্রীরা, ইউএনওর হস্তক্ষেপে মুক্ত ‎তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার ওপরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

ধর্ষণের দায়ে নারীর যাবজ্জীবন

এবার ধর্ষণের দায়ে প্রথম কোন নারীর যাবজ্জীবন হয়েছে। যা নিয়ে সারা দুনিয়ায় মিডিয়াতে আলোচনা হচ্ছে। প্যারিসে ১২বছর বয়সী লোলা ডাভিয়েকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে এক নারীকে ফ্রান্সের আদালত আজীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। যা দেশটিতে অত্যন্ত বিরল একটি শাস্তি। রাজধানী প্যারিসে ১২বছর বয়সী স্কুল ছাত্রী লোলা ড্যাভিয়েটকে ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যা করার অভিযোগে আলজেরীয় নাগরিক দাহবিয়া বেঙ্কিরেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

২৭বছর বয়সী দাহবিয়া বেঙ্কিরেদকে অন্তত ৩০বছর কারাভোগ করতে হবে বলে তিন বিচারক ও ছয়জন জুরির প্যানেল রায় দিয়েছে। ফ্রান্সে এমন “পুরো জীবনের” সাজা খুবই কম দেওয়া হয় এবং বেঙ্কিরেদ প্রথম নারী যিনি এই দণ্ড পেলেন।

 

এর আগে যাদের এ ধরনের সাজা হয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন সিরিয়াল কিলার মিশেল ফুরনিরে এবং ২০১৫ সালের প্যারিস হামলায় জড়িত জিহাদিস্ট সালাহ আবদেসলাম।

 

প্রসঙ্গত, ঘটনার সময় লোলা তার বাড়িতে একমাত্র সন্তান ছিলেন।

 

২০২২ সালের ১৪ অক্টোবর বিকেলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তখন ২৪বছর বয়সী বেঙ্কিরেদ স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় লোলার কাছে যান। তিনি লোলাকে ভবনের এক অ্যাপার্টমেন্টে নিয়ে যান, যেটি তার বড় বোন সাবলেট করেছিলেন।

 

সেখানে দেড় ঘণ্টার মধ্যে বেঙ্কিরেদ ১২বছর বয়সী লোলাকে যৌন নির্যাতন করেন এবং পরে কাঁচি ও বাক্স কাটার ব্লেড দিয়ে আক্রমণ চালান। তিনি লোলার হাত-পা ও মুখে ডাক্ত টেপ পেঁচিয়ে দেন, যা শ্বাসরোধের মাধ্যমে তার মৃত্যু ঘটায়।

 

বেঙ্কিরেদের ছাত্র ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে দেশে যাওয়ার নির্দেশ ছিল। এই কারণে ঘটনাটি অভিবাসন-প্রশ্নকেও বড় করে তুলেছে ফ্রান্সে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone