শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
তিস্তার পানি আবারও বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত কনফিডেন্স ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত এইচ,এস,সি (বিএমটি) শিক্ষাক্রমে ফাইনাল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজার মৃত্যু মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত; আশঙ্কাজনক অবস্থা এসআই রুহুল আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার বৃক্ষ শূন্যতাই ডেকে আনতে পারে পরিবেশ বিপর্যয়; প্রত্যেকেই হোন বৃক্ষপ্রেমী দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
রাতের আধারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজ নিয়ে জনমনে সংশয়

রাতের আধারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজ নিয়ে জনমনে সংশয়

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় পলাশী বাজারের পর হতে শ্রুতিধর পর্যন্ত ১২.৬কিলোমিটার কাজ চলছে রাতের আধারে। কাজের মান নিয়ে ঐ এলাকার জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে।

 

জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১২.৬কিলোমিটার কাজের জন্য ৩৫কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আর এ কাজটি পেয়েছে ময়েন উদ্দিন বাসী নামে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

 

দেখা যায়, রাত ১১টায় পুরো দমে কাজ চলছে। তদারকিতে দেখা গেল না সংশ্লিষ্ট দপ্ততরের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে।

 

পূর্বের কার্পেটিং তুলে ও ভেঙ্গে যাওয়া পাড় মেরামত করার জন্য মাটি দিয়ে সড়কের দু পার্শ্ব উচু করে রাখা হয়েছে। আর বর্ষা মৌসুম হওযায় বৃষ্টির পানিতে সেই মাটি পুরো সড়কে ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও মাটি দেবে গেছে। সড়কের উপরের মাটি পরিস্কার না করে ও দেবে যাওয়া জায়গা পূণঃরায় মেরামত না করে কার্পেটিং এর কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। এতে সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

এলাকাবাসী জানান, আমরা সাধারণ মানুষ জানি রাস্তার এই কাজ দিনের আলোতেই হওয়ার কথা। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাতের আধারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করে সিডিউল অনুযায়ী সঠিক পরিমান বিটুমিন না দিয়ে কার্পেটিং এর কাজ করছে। নিয়ম অনুযায়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তারা টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের   সিডিউল ফাঁকি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন তারা।

 

রাতে কাজ করার ব্যাপারে লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহবুব আলমের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমিতো আপনাদের দেখলাম না, আমি সাইডেই ছিলাম। রাত কয়টার সময় ছিলেন এ প্রশ্নের জবাবে ভূলভাল কথাবার্তা বলেন তিনি। এতেই বুঝা যায় কাজটা ক্যামন হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone