শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাড. হুমায়ুন কবির মিঠুল-এঁর ইন্তেকাল বাল্যবিবাহ ও কিশোরী গর্ভধারণ প্রতিরোধে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ২লক্ষ ৮০হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ও অটোরিকশাসহ গাঁজা জব্দ দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি থেকে অপরূপ কাশফুল নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে-মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এমপি ‎শিক্ষার মানোন্নয়নে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে এক বছরে দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ৭লক্ষ ৬০হাজার টাকার ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ী জব্দ ১শত ৫পিস ইয়াবাসহ তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি মমি গ্রেফতার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন
সোনালী আঁশ পাটে স্বপ্ন দেখছে কৃষকেরা

সোনালী আঁশ পাটে স্বপ্ন দেখছে কৃষকেরা

আলোর মনি রিপোর্ট: পাট এক সময় সোনালী আঁশ নামেই সর্বাধিক সু-পরিচিত ছিলো। পাটের আর এখন সেই সুদিন নেই। তারপরেও এবার লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভায় দেশি, তোষা ও মেস্তা জাতের পাটের আবাদ করা হয়েছে। ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর পাটের দাম ভালো পাবেন এমনটাই আশা করছেন পাট চাষি কৃষকরা।

 

কুলাঘাট ইউনিয়নের শিবেরকুটি গ্রামের পাট চাষী রেজাউল করিম বলেন, সরকার পাটের বাজার দর কত আগে ভাগে বলে না। তাই এবার দাম পেলে সামনের বার বেশি করে আবাদ করবো।

 

শুধু রেজাউল করিমই নয়, একই কথা বললেন কোদালখাতা গ্রামের পাট চাষি সুধীর চন্দ্র রায়, কমল কান্তি বর্মণ ও ফুলগাছ গ্রামের হরিপদ রায় হরি। তারা বলেন, গ্রামের দালাল ফরিয়ারা আমাদের কাছ থেকে ১হাজার ৪শত টাকা দরে প্রতিমণ পাট কিনে নেয়। স্টক করে রেখে ওরা লাভবান হয়। আর আমরা কমদামে পাট বিক্রি করে পুরো দমে লোকসানে পড়ি। সরকার আগে থেকে পাটের ন্যায্য মূল্য অন্তত ২হাজার থেকে ২হাজার ৩শত টাকা নির্ধারণ করলে কৃষকেরা লাভবান হতো।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুলতান সেলিম বলেন, পাটের আগাম বাজার মূল্য নির্ধারণের জন্যে তাদের পক্ষ থেকে সরকারকে অবগত করা হয়ে থাকে।

 

পাটের বাজার মূল্য সম্পর্কে কৃষক হাসান আলী বলেন, পাটের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে পাটের আগাম বাজার মূল্য নির্ধারণ করা খুব জরুরি। পাটের ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকেরা আবারও পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে। নইলে মধ্যস্বত্ব ভোগীরা ফায়দা লুটবেন। এ থেকে কৃষকদের বাঁচাতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone