শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
শব্দহীন কবিতার অবয়ব ভাটিবাড়ী লোকনাট্য দলের আহবায়ক কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পাটগ্রাম তাহেরা বিদ্যাপীঠে বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার মাতৃভাষা দিবসের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত সুলতানুল আউলিয়া, ইনসানে অলীয়ে কামেল হযরত শাহ্ নওগজি (রহঃ) এর বাৎসরিক মহা পবিত্র ওরছ মোবারক লালমনিরহাটে নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. মোঃ মতিয়ার রহমান এর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক পদের ২১টি মনোনয়নপত্র জমা ভাটিবাড়ী আদর্শ ইজিবাইক মালিক কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি/ সম্পাদকসহ কার্যকরী পরিষদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচন এর স্থগিতের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
করোনাকালে দেউলিয়া চিকিৎসা ব্যবস্থায় মানুষ অসহায়

করোনাকালে দেউলিয়া চিকিৎসা ব্যবস্থায় মানুষ অসহায়

পীর হাবিবুর রহমান:

 

জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শপথ নেন।ক্ষমতা গ্রহণ করেন শপথে। মন্ত্রী হন। শপথ ভাঙ্গেন। সংবিধান আইন ও জনগনের কাছে দেয়া ওয়াদার বরখেলাপ করেন। দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটকে প্রশ্রয় দেন। অব্যবস্থাপনা শুরু হয় এখানে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকেই বিশ্বাস করেন তিনিই বিশ্বাস ভঙ্গ করেন। এভাবেই দেশের স্বাস্থ্যখাতে জনগনের বরাদ্দের অর্থ লুট হয়। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত নিরাপদ করা যায়নি। চিকিৎসা ব্যবস্থা দেউলিয়া হয়। যে চিকিৎসক জনগনের টাকায় লেখাপড়া করে ডাক্তার হন, যে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী জনগনের টাকায় পড়াশোনা করে দায়িত্ব পান তাদের একটা অংশ দূর্নীতির সিন্ডিকেটকে শক্তিশালী করেন। লোভ লালসা পবিত্র সেবার ঈমানি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। কেরানী আবজাল ১৫শকোটি টাকা বানিয়ে বিদেশ পালায়। পর্দার দাম ৩৭লাখ হয়। ৫হাজার টাকার বই ৮৫হাজার। জাইমার রাজ্জাকের হাতে রাখা হয় সরবরাহ। জাল মাস্ক সরবরাহ ধরা পড়লেও রক্ষা হয়। তদন্ত রিপোর্ট আসেনা। লাইসেন্স বাতিল হয়না। মিঠি সিন্ডিকেট বহাল দাপটেই থাকে।

 

করোনাকালে দেউলিয়া চিকিৎসা ব্যবস্থায় মানুষ অসহায়। কত বড় বড় বিত্তশালী, কত ক্ষমতাবান নেতা, বিভিন্ন পেশার মানুষ, এমনকি কত চিকিৎসকও জীবন দিচ্ছেন। বড় বড় কথা বলার প্রতিযোগিতা করেছেন ক্ষমতাবানরা। চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পারেননি। মানুষ আজ চিকিৎসা পায়না কোথায়। আইসিইউ নেই, অক্সিজেনের হাহাকার। করোনার বাইরেও চিকিৎসা নেই হাসপাতালে ডাক্তাররা অনেকে লড়ছেন। তবু সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে সুসংগঠিত শক্তিশালী চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়া যায়নি। দেশের অন্যখাতের চিত্রও হয়তো করুন। করোনায় স্বাস্থ্যের মেকাপ খুলে দিলে কুৎসিত চেহারা বেরিয়ে এসেছে। লুটপাটে ডুবে থাকাদের এ খাতে রেখে সময় উত্তীর্নের সুযোগ নেই। এদের বের করে দিতে হবে। মহামারি বাড়ছে। প্রতিরোধের প্রথমপর্বে ব্যর্থ। এখন প্রতিকার। চিকিৎসা ও সেবা দিতেই হবে। অভিশপ্ত লুটেরাদের জন্য মানুষ জীবন দিতে পারেনা।

 

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone