শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
গ্রাম বাংলায় কৃষকরা ক্ষেতের ফসল রক্ষায় কাকতাড়ুয়া মরহুমা হাবিবা খাতুন এঁর ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত যুবদলের উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণ; ১৪হাজার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়ে মধু সুদন রায়ের প্রচারণা শুরু কলেজ ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে মামলায় র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ভিকটিম উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার ‎লালমনিরহাট জেলার ৩টি সংসদীয় আসনের ২২জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন লালতীর বীজ কোম্পানীর গাজর চাষে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত তিস্তা নদী জুড়ে এখন ধু ধু বালু চর এ কে এম শামছুল হক ও মানসিকা’কে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত
লালমনিরহাটে করলা চাষে স্বাবলম্বী

লালমনিরহাটে করলা চাষে স্বাবলম্বী

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার মাঠ জুড়ে ভরে গেছে করলা ক্ষেতে। এলাকার কৃষকরা ধান আর আলুর পাশাপাশি বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন সবজি চাষ করে আসছেন। তবে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে করলা চাষ। যার ফলে করলা চাষ দিন দিন বেড়েই চলছে। ব্যাপক হারে আবাদ আর বেশি সাফল্যের কারণে এলাকাগুলো মানুষের কাছে করলা গ্রাম হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে।

লালমনিরহাট জেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মাঠে ব্যাপক করলার চাষ হয়। স্থানীয় জাতের করলাসহ বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড করলা এ এলাকার কৃষকরা চাষ করে থাকে।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে লালমনিরহাট জেলায় কয়েক হেক্টর জমিতে করলা চাষ করা হয়েছে।

 

সরেজমিন লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে ব্যাপক করলার চাষ হয়েছে। অনেক কৃষকই এই করলা চাষ করে ব্যাপক ভাবে লাভবান হয়েছেন।

 

করলা চাষীরা জানান, ইতোমধ্যে জমি থেকে করলা উত্তোলন করে তা বিক্রি শুরু করেছেন। হাট-বাজারে করলার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। করলা মন প্রতি ১হাজার ৬শত টাকা দরে বিক্রি করলে ধীরে ধীরে এ দাম আরো বাড়ছে। এই করলা চাষ করেই চাষীদের সংসারে ফিরে এসেছে আর্থিক স্বচ্ছলতা। করলা চাষ করে এখন অনেকেই স্বাবলম্বী।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, এই করলা চাষ করতে কৃষি অফিসের কোনো সহযোগিতা পাই না। সরকারিভাবে প্রতি ইউনিয়নে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কর্মরত থাকলেও তা কাগজ কলমে। তাদের দেখা পাওয়া যায় না। ফলে ক্ষেতের পোকামাকড় দমনে নিজের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় কীটনাশক দোকানীদের পরামর্শে অদ্যাবধি করলা চাষ করে আসছেন।

 

কোদালখাতা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, প্রতি কেজি করলা ৫০টাকা দরে বিক্রয় করছি। যা ৪০কেজির মূল্য ২হাজার টাকা প্রায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone