লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বালারহাট ও গংগারহাট বিওপির টহলদল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় নেশা জাতীয় ইস্কাপ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গাঁজা জব্দ করেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে বিজিবি জানতে পারে যে, চোরাকারবারীরা সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান করবে। উক্ত তথ্যানুযায়ী, সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ২টা ৪৫মিনিটে বালারহাট বিওপির আওতাধীন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার বালাটারী এবং বিকাল ৪টা ২৫মিনিটে গংগারহাট বিওপির আওতাধীন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার উত্তর বিদ্যাবাগীস নামক স্থানে পৃথক ২টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানসমূহ চলাকালীন টহল দলের সদস্যরা সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আসতে দেখে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে দৌড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ১শতটি বোতল ও ইয়াবা ট্যাবলেট ৩শত ৫২পিছ এবং গাঁজা ৪শত গ্রাম জব্দ করতে সক্ষম হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ১শতটি বোতল, যার সিজার মূল্য ৪০হাজার টাকা ও ইয়াবা ট্যাবলেট ৩শত ৫২পিছ, যার সিজার মূল্য ১লক্ষ ৫হাজার ৬শত টাকা এবং গাাঁজা ৪শত গ্রাম, যার সিজার মূল্য ১হাজার ৪শত টাকাসহ সর্বমোট সিজার মূল্য ১লক্ষ ৪৭হাজার টাকা। এছাড়াও মাদক চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের তথ্য সংগ্রহ পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। চোরাচালান ও মাদক পাচার এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন এর প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। এছাড়াও, দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা করেছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।