লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র চলমান চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গরু এবং চিনি জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানিয়েছেন।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন বিওপির ৩টি বিশেষ টহলদল পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় গরু এবং চিনিসহ মালামাল জব্দ করেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়—চোরাকারবারীরা ভারতীয় গরু বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর ৫টায় বনচৌকি বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার আমঝোল এবং ভোর ৪টা ৩০মিনিটে দুর্গাপুর বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার বানিয়াটারী এবং বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় মোগলহাট বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর থানার চওড়াটারী নামক স্থানে ৩টি বিশেষ টহল পরিচালনার সময় ভারতীয় সীমান্ত দিক থেকে গরুসহ কয়েকজন চোরাকারবারী বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারীরা গরু ফেলে পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে ৯টি ভারতীয় গরু এবং ৭০কেজি চিনিসহ মালামাল জব্দ করা হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত ভারতীয় গরু ৯টি, যার সিজার মূল্য ১২লক্ষ ৫০হাজার টাকা এবং ৭০কেজি চিনিসহ মালামাল, যার সিজার মূল্য ১৪হাজার ১শত টাকাসহ সর্বমোট সিজার ১২লক্ষ ৬৪হাজার ১শত টাকা। এছাড়াও এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সব সময় আপসহীন। চোরাচালান মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করেছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।