লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাফ ও আর্য়ুবেদিক সিরাপ এবং জিরা জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানিয়েছেন।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন বিওপির ৩টি বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ইস্কাফ ও আর্য়ুবেদিক সিরাপ এবং জিরা জব্দ করেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে বিজিবি জানতে পারে যে, চোরাকারবারীরা সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান করবে। উক্ত তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টায় গোড়কমন্ডল বিওপির আওতাধীন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার ক্রান্তির কুটি, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ০০:৩০ ঘটিকায় মোগলহাট বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার কুমারটারী এবং রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টন ২০মিনিটে দিঘলটারী বিওপির আওতাধীন লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার ক্লিনিকমোড় নামক স্থানে বিজিবির টহলদল বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালীন কতিপয় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আসতে দেখে গতিবিধি লক্ষ্য করে টহল দলের সদস্যরা ধাওয়া করলে উক্ত চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে দৌড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরবর্তীতে উক্ত স্থানসমূহে তল্লাশী করে ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ ৩৮টি বোতল, আর্য়ুবেদিক সিরাপ ১৬টি বোতল এবং জিরা ৯কেজি জব্দ করা হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ ৩৮টি বোতল, যার সিজার মূল্য ১৫হাজার ২শত টাকা, আর্য়ুবেদিক সিরাপ ১৬টি বোতল, যার সিজার মূল্য ৮হাজার টাকা এবং জিরা ৯কেজি, যার সিজার মূল্য ৯হাজার টাকাসহ সর্বমোট সিজার মূল্য ৩২হাজার ২শত টাকা। এছাড়াও চোরাচালান ও মাদক চক্রের সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের তথ্য সংগ্রহপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলো চিহ্নিত করে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। এই অভিযানে বিজিবির সাহসিকতা ও কৌশলগত দক্ষতা প্রশংসার দাবিদার, যা চোরাচালান ও মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।