শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাড. হুমায়ুন কবির মিঠুল-এঁর ইন্তেকাল বাল্যবিবাহ ও কিশোরী গর্ভধারণ প্রতিরোধে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ২লক্ষ ৮০হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ও অটোরিকশাসহ গাঁজা জব্দ দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি থেকে অপরূপ কাশফুল নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে-মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এমপি ‎শিক্ষার মানোন্নয়নে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে এক বছরে দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ৭লক্ষ ৬০হাজার টাকার ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ী জব্দ ১শত ৫পিস ইয়াবাসহ তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি মমি গ্রেফতার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

বিলুপ্তির পথে মান্দার ফুল

মান্দারের ইংরেজী নাম Indian coral tree আর এর বৈজ্ঞানিক নাম Erythrina variegeta বা erythrina orientalis. বইয়ের ভাষায় এর নাম পরিজাত আর আঞ্চলিক বা স্থানভেধে এর নাম মাদার, মান্দর, মন্দার, পালতে মান্দার, রক্তমান্দার ইত্যাদি বলতে শোনা যায়। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, গাছ কিন্তু সেই একটাই।বাংলাদেশের প্রখ্যাত উদ্ভিদবিদ দ্বিজেন শর্মা তাঁর “ফুলগুলি যেন কথা” বইতে এই মান্দার সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন:- “ইরিত্রিনা ইণ্ডিকা (Erythina Indica) বা পরিজাত মাঝারি আকারের দেশী গাছ। গায়ে কাঁটা থাকে। পত্রমোচী। বসন্তে ফুল ফোটে। মঞ্জরীতে অনেকগুলি ফুল থাকে। ফুল শিমফুলের মতো, ১০সেন্টিমিটার লম্বা, গাঢ় লাল। বীজ থেকে সহজেই চারা জন্মে। ডাল কেটে লাগালেও বাঁচে।”

‎মান্দার পাতা ঝরায় বসন্তে এবং ফুল ও ফোটে ঠিক এই সময়ে। লম্বা ডাটায় অনেক লাল রংয়ের ফুল ফোটে। গাছটি সাদামাটা হলেও এর ফুলগুলো চমৎকার। মাঝারি আকারের আকারের এই গাছটি সাধারণত ১৫মিটারের মত উঁচু হতে দেখা যায়। গাছের গায়ে কালো-কালো গোটা-গোটা কাঁটা থাকে। গাছের গোঢ়ারদিকের কাঁটাগুলি গাছ বড় হলে ঝরে যেতে দেখা যায় অনেক সময়। অনেকটাই পলাশ ফুলের মত দেখতে এই ফুলগুলি টকটকে লাল। আজ পর্যন্ত কোথাও এই গাছ বাগানে কেউ লাগিয়েছে বলে শুনুনি, কিন্তু পৌরানীক কাহিনীতে জানা যায়, “মান্দার স্বর্গের ফুল, মর্ত্যের রাজা শ্রীকৃষ্ণ স্বর্গের রাজা ইন্দ্রের কাছ থেকে অনেকটা জোরজবরদস্তি করেই এই পরিজাতকে তার মর্ত্যের বাগানে এনে লাগান।”

‎দেখতে যেমন পলাশের মত তেমনি ফাগুন হাওয়ার পলাশ যখন ডালে ডালে আগুন ঝরায় তখন পরিজাতও ফুটতে শুরু করে অবহেলা গায়ে না মেখে। গাছের পাতা ঝরে যায় ফুলফোটার সময় হলেই। পাতাহীন গাছে অবহেলায় ফোটে টকটকে লাল পরিজাত। কি যায় আসে যদি তুমি আদর করে না রাখলে বাগানের পার্শে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিন্তু পরম মমতায় বলেছেন- “ফাগুন হাওয়ায় রঙে রঙে পাগল ঝোরা লুকিয়ে ঝরে গোলাপ জবা পারুল পলাশ পরিজাতের বুকের পরে।”

‎হরিপদ রায় হরি বলেন, মান্দার ফুলগাছের ডাল থেকে আটা সংগ্রহ করে পাটকাটি দিয়ে ফু দিলে আটাগুলো ছোট ছোট বেলুন হয়ে উড়ে যায়। যা দেখতে ভালো লাগে।

‎এস এম হাসান আলী বলেন, মান্দার ফুল ঋতুরাজ বসন্তে ফুটে থাকে। যা প্রকৃতিকে অপরুপ সাজে সাজিয়ে রাখে। রাস্তা দিয়ে গেলে এ ফুলগুলো দেখতে পাওয়া যায়।

‎কবি কমল কান্তি রায় বলেন, মান্দার ফুল আজ লালমনিরহাটে প্রায় বিলুপ্তির পথে। গ্রামে কিছু বাড়িতে এ গাছটি দেখতে পাওয়া যায়। আসুন প্রকৃতিকে সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য মান্দার গাছ লাগাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone