শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
তিস্তা নদী জুড়ে এখন ধু ধু বালু চর এ কে এম শামছুল হক ও মানসিকা’কে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে প্রতিবন্ধী ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত মাদক মামলায় ১জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাবাহিনীর সুবেদার (অবঃ) আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ-এঁর ইন্তেকাল জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক মোঃ একরামুল হক সরকার নির্বাচিত ‎তিস্তা, ধরলা, সানিয়াজান ও রত্নাই নদী শুকনো মৌসুমে আবাদি জমিতে রূপ নিচ্ছে ‎লালমনিরহাটের নদীগুলোর চরে চাষ হচ্ছে বোরো ধান ‎লালমনিরহাটে নতুন দিনের ভাবনা বিনিময় অনুষ্ঠিত র‍্যাব-১৩ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ১জন মহিলা মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
‎লালমনিরহাটের নদীগুলোর চরে চাষ হচ্ছে বোরো ধান

‎লালমনিরহাটের নদীগুলোর চরে চাষ হচ্ছে বোরো ধান

‎লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা, ধরলা, রত্নাই, স্বর্ণামতি, শিংগীমারী, সানিয়াজান, ত্রিমোহনী, সাকোয়া, মরাসতি, ধোলাই, গিদারী, ছিনাকাটা নদীগুলোর চরে এখন বোরো ধানের আবাদের ধুম পড়েছে।

‎জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে যেখানে ছিলো থৈ থৈ পানি আজ সেখানে পানি শুকিয়ে চর পড়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকেরা প্রতি বছরই এখানে বোরো ধান আবাদ করে থাকে।

‎সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় কৃষকেরা উক্ত নদীগুলোর এই চরে বোরোর আবাদ করতে দেখা গেছে। প্রতি বছরই এখান থেকে কৃষকেরা প্রচুর পরিমাণ ধান উৎপাদন করে থাকে। শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা আবাদ করে থাকে। নদীগুলোর মধ্যে ধানের চাষ এ যেন সৌন্দর্যের অন্য আরেক রূপ।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় ৭২টি চরাঞ্চল রয়েছে। এসব চরের মোট জমির পরিমাণ ২৬হাজার ৬শত ৭৬একর। এর মধ্যে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ২০হাজার ৪শত ৮৬একর। এসব জমি চাষাবাদ করে থাকে ৩১হাজার ৬শত ৩৭টি কৃষি পরিবার।

‎তবে স্থানীয়দের হিসাব বলছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যের দ্বিগুণ জমি চাষ হয়। যার মধ্যে রয়েছে এ তিস্তা, ধরলা, রত্নাই, স্বর্ণামতি, শিংগীমারী, সানিয়াজান, ত্রিমোহনী, সাকোয়া, মরাসতি, ধোলাই, গিদারী, ছিনাকাটা নদীর জমিও।

‎তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নদীতে আনুমানিক ১০হাজার একরেরও বেশি জমিতে বোরো আবাদের বাম্পার ফলন হয়েছে। এসব জমিতে প্রতি একরে গড়ে দুই টন করে বোরো ধান উৎপাদনের আশা করছেন চাষীরা। এ হিসাব মতে, ১০হাজার একর জমিতে দুই হাজার টন ধান উৎপাদন হওয়ার কথা।

‎লালমনিরহাট সদর দের মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা গ্রামের বোরো ধান চাষী মোঃ হাফেজ আলী, মোঃ হান্নান আলী বলেন, নদীর পানি যখন কমে যায়, তখন আমরা নদীর দুই পাড়ের মাটিগুলো সমান করে বোরো ধানের চাষ করি। যা অন্য ধানের আগেই পাকে। এ ধান চাষে পরিশ্রম ও ব্যয় খুবই কম। উৎপাদনও হয় ভালো।

‎ফুলগাছ গ্রামের মোঃ হযরত আলী বলেন, আমার জমি দিয়ে নদী বয়ে গেছে। যাতে এলাকার ক্ষুদ্র চাষীরা বোরো ধান চাষ করে। আমাদেরকেও ধানের ভাগ দিয়ে থাকে। এতে জমি তো পতিত থাকছে না, ফসলও ফলছে।

‎ফুলগাছ ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, নদীর বুক জুড়ে বোরো ধান চাষ হয়েছে। যা বাড়তি খাদ্য হিসেবে যোগ হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone