শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে ড্রেজার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হুমকি, ৪ বিএনপি নেতাসহ আটক-৬ হাত বদলে বাড়ে সবজির দাম; বঞ্চিত হন চাষিরা স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষকের যাবজ্জীবন ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নারী কৃষক দলের নেতৃত্বে সিআরএসএ মডেল জোরদারকরণের লক্ষ্যে সোলার পাম্প বিতরণ অনুষ্ঠিত সারের দাবিতে জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ, ডিলার ও মাঠকর্মী অবরুদ্ধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
‎লালমনিরহাটের নদীগুলোর চরে চাষ হচ্ছে বোরো ধান

‎লালমনিরহাটের নদীগুলোর চরে চাষ হচ্ছে বোরো ধান

‎লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা, ধরলা, রত্নাই, স্বর্ণামতি, শিংগীমারী, সানিয়াজান, ত্রিমোহনী, সাকোয়া, মরাসতি, ধোলাই, গিদারী, ছিনাকাটা নদীগুলোর চরে এখন বোরো ধানের আবাদের ধুম পড়েছে।

‎জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে যেখানে ছিলো থৈ থৈ পানি আজ সেখানে পানি শুকিয়ে চর পড়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকেরা প্রতি বছরই এখানে বোরো ধান আবাদ করে থাকে।

‎সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় কৃষকেরা উক্ত নদীগুলোর এই চরে বোরোর আবাদ করতে দেখা গেছে। প্রতি বছরই এখান থেকে কৃষকেরা প্রচুর পরিমাণ ধান উৎপাদন করে থাকে। শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা আবাদ করে থাকে। নদীগুলোর মধ্যে ধানের চাষ এ যেন সৌন্দর্যের অন্য আরেক রূপ।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় ৭২টি চরাঞ্চল রয়েছে। এসব চরের মোট জমির পরিমাণ ২৬হাজার ৬শত ৭৬একর। এর মধ্যে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ২০হাজার ৪শত ৮৬একর। এসব জমি চাষাবাদ করে থাকে ৩১হাজার ৬শত ৩৭টি কৃষি পরিবার।

‎তবে স্থানীয়দের হিসাব বলছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যের দ্বিগুণ জমি চাষ হয়। যার মধ্যে রয়েছে এ তিস্তা, ধরলা, রত্নাই, স্বর্ণামতি, শিংগীমারী, সানিয়াজান, ত্রিমোহনী, সাকোয়া, মরাসতি, ধোলাই, গিদারী, ছিনাকাটা নদীর জমিও।

‎তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নদীতে আনুমানিক ১০হাজার একরেরও বেশি জমিতে বোরো আবাদের বাম্পার ফলন হয়েছে। এসব জমিতে প্রতি একরে গড়ে দুই টন করে বোরো ধান উৎপাদনের আশা করছেন চাষীরা। এ হিসাব মতে, ১০হাজার একর জমিতে দুই হাজার টন ধান উৎপাদন হওয়ার কথা।

‎লালমনিরহাট সদর দের মোগলহাট ইউনিয়নের কোদালখাতা গ্রামের বোরো ধান চাষী মোঃ হাফেজ আলী, মোঃ হান্নান আলী বলেন, নদীর পানি যখন কমে যায়, তখন আমরা নদীর দুই পাড়ের মাটিগুলো সমান করে বোরো ধানের চাষ করি। যা অন্য ধানের আগেই পাকে। এ ধান চাষে পরিশ্রম ও ব্যয় খুবই কম। উৎপাদনও হয় ভালো।

‎ফুলগাছ গ্রামের মোঃ হযরত আলী বলেন, আমার জমি দিয়ে নদী বয়ে গেছে। যাতে এলাকার ক্ষুদ্র চাষীরা বোরো ধান চাষ করে। আমাদেরকেও ধানের ভাগ দিয়ে থাকে। এতে জমি তো পতিত থাকছে না, ফসলও ফলছে।

‎ফুলগাছ ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, নদীর বুক জুড়ে বোরো ধান চাষ হয়েছে। যা বাড়তি খাদ্য হিসেবে যোগ হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone