শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ওয়াপদা বাঁধের বেহাল দশা: চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন ধরলা নদী পাড়ের মানুষ গাছে গাছে জাম্বুরা ধরেছে খালেদা জিয়ার হাত ধরেই দেশে শিক্ষার আধুনিকায়নের ভিত্তি রচিত হয়েছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ প্রসাধনী জব্দ; ২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২হাজার টাকা জরিমানা মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৩ মামলায় ২হাজার ৫শত টাকা জরিমানা আদায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিতে হবে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি লালমনিরহাট জেলা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ২টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস ডাকাতি মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার
তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার নিচে

তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার নিচে

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনিল কুমার রায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

জানতে চাইলে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজের উজানে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় বিপদসীমার (৫২দশমিক ১৫সেন্টিমিটার) ৩সেন্টিমিটার উপর দিয়ে তথা ৫২দশমিক ১৮সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়। দুপুর ১২টায় তা কমে গিয়ে বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানিপ্রবাহ পরিমাপ করা হয়। বিকাল ৩টায় আরও ১সেন্টিমিটার পানিপ্রবাহ কমে যায়। সন্ধ্যা ৬টায় আরও ৫সেন্টিমিটার পানিপ্রবাহ কমে বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার আরও পানি প্রবাহ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তিস্তা ব্যারাজের উজানে ভারতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রবিবার তিস্তা নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে তা কমতে শুরু করেছে। ফলে আমন ধান ক্ষেতের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

 

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনিল কুমার রায় বলেন, তিস্তা ব্যারাজের উজানে ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা বিপদসীমার উপর দিয়ে রবিবার পানি প্রবাহ থাকলে সোমবার তা কমে গেছে। এখন বিপদসীমা ৫২দশমিক ১৫সেন্টিমিটারের ৭সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহ বিরাজ করছে। ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। আশা করছি, তেমন কোনো ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

 

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, তিস্তা নদীর ফ্লাসফ্লাডে আমন ধানের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে বৃষ্টিপাতের কারণে শাক-সবজির কিছুটা ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের সতর্ক রাখা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone