শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে রোপা-আমন ক্ষেত সবুজের সমারোহ নতুন ধানের শিষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তেজপাতার বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে এস্কাফ এবং ফেয়ারডিল জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিজিবি ক্যাম্পে ঢুকে ড্রেজার ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হুমকি, ৪ বিএনপি নেতাসহ আটক-৬ হাত বদলে বাড়ে সবজির দাম; বঞ্চিত হন চাষিরা স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষকের যাবজ্জীবন ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নারী কৃষক দলের নেতৃত্বে সিআরএসএ মডেল জোরদারকরণের লক্ষ্যে সোলার পাম্প বিতরণ অনুষ্ঠিত সারের দাবিতে জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ, ডিলার ও মাঠকর্মী অবরুদ্ধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
তিস্তা ও ধরলার পানি বিপদসীমার নিচে!

তিস্তা ও ধরলার পানি বিপদসীমার নিচে!

লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৫সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে আর লালমনিরহাট জেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকার লোকজন বন্যার আশঙ্কা করছেন না।

 

বুধবার (১৯ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫১দশমিক ৭০মিটার। যা (বিপদসীমা ৫২দশমিক ১৫সেন্টিমিটার) যা বিপদসীমার ৪৫সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

বুধবার (১৯ জুলাই) ভোর থেকে পানি কমে বিপদসীমার নিচে থাকলেও দুপুর ১২টার পর থেকেই বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ এবার আর বন্যার আশঙ্কা করছেন না।

 

ইতিপূর্বে পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা নদীর তীরবর্তী লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, সিংগিমারী, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী, লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুন্ডা ইউনিয়নের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিলেন।

 

পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় তিস্তা নদীর তীরবর্তী ৫টি উপজেলার পানিবন্দি পরিবারগুলো ধিরে ধিরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছেন। ইতিপূর্বে লালমনিরহাট জেলার কিছু কিছু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে ছিলেন। যা দ্রুতই তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হচ্ছেন।

 

বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দাবি, তিস্তায় আর বড় ধরনের বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। বৃষ্টির কারণে উজানের ঢেউয়ের ফলে পানির প্রবাহ বেড়েছিল। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির প্রবাহ কমেছে বলে দাবি করেছে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, তিস্তার পানির প্রবাহ কমেছে। বর্তমানে তিস্তা ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খোলা রয়েছে। তবে ভারতে পানির প্রবাহ কমে গেলে তিস্তার পানি আরও কমবে বলে গণমাধ্যমকে বলেন।

 

এদিকে ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি পয়েন্টে পানি সমতল ২৯.৪৬মিটার (বিপদসীমা ৩১.০৯মিটার) যা বিপদসীমার ১৬৩সেন্টিমিটার নিচে।

 

এছাড়াও ধরলা নদী কবলিত মোগলহাট, কুলাঘাট ও বড়বাড়ী ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছিল।

 

অপরদিকে রত্নাই, স্বর্ণামতি, সানিয়াজান, সাকোয়া, চাতলা, মালদহ, ত্রিমোহীনি, মরাসতি, গিরিধারী, গিদারী, ধোলাই, শিংগীমারী, ছিনাকাটা, ধলাই ও ভেটেশ্বর নদীতে বন্যার পানিও কমতে শুরু করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone