শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
রসালো লিচু এখন লাল রঙে রাঙাচ্ছে প্রজ্ঞাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেরোবি উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল বিপুল পরিমাণ আমেরিকান ডলারসহ যুবক গ্রেপ্তার কৃতি সন্তান বেরোবির ৭তম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেলেন ঢাবির প্রফেসর ড. আনিসুর রহমান আমেরিকার সাথে দেশবিরোধী অসম চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মরহুম আমিনুল ইসলাম স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত সীমান্তে আহতের পর যুবকের মৃত্যু সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা অবহিতকরণে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত বৈচিত্র্যকৃত জুট প্রোডাক্টস উৎপাদন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
তিস্তার পানি বিপদসীমার ৩০সেঃমিঃ ও ধরলা পানি বিপদসীমার ১২৩সেঃমিঃ নিচে

তিস্তার পানি বিপদসীমার ৩০সেঃমিঃ ও ধরলা পানি বিপদসীমার ১২৩সেঃমিঃ নিচে

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৩০সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে আর লালমনিরহাট জেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকার লোকজন বন্যার আশঙ্কা করছেন না।

 

সোমবার (২৭ জুন) সকাল ৯টা থেকে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২দশমিক ৩০মিটার। যা (বিপদসীমা ৫২দশমিক ৬০সেন্টিমিটার) যা বিপদসীমার ৩০সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সোমবার (২৭ জুন) ভোর থেকে পানি কমে বিপদসীমার নিচে থাকলেও সকাল ৯টার পর থেকেই বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ এবার আর বন্যার আশঙ্কা করছেন না।

 

পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় তিস্তা নদীর তীরবর্তী ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার পানিবন্দি পরিবারগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছেন। ইতিপূর্বে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, সিংগিমারী, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী, লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুন্ডা ইউপির কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে ছিলেন। যা দ্রুতই তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হচ্ছেন।

 

বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দাবি, তিস্তায় আর বড় ধরনের বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। বৃষ্টির কারণে উজানের ঢেউয়ের ফলে পানির প্রবাহ বেড়েছিল। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির প্রবাহ কমেছে বলে দাবি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া শাখা।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, তিস্তার পানির প্রবাহ কমেছে। বর্তমানে তিস্তা ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খোলা রয়েছে। তবে ভারতে পানির প্রবাহ কমে গেলে তিস্তার পানি আরও কমবে।

 

এদিকে ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি পয়েন্টে পানি সমতল ২৯.৮৬মিটার (বিপদসীমা ৩১.০৯মিটার) যা বিপদসীমার ১২৩সেন্টিমিটার নিচে।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট, কুলাঘাট, বড়বাড়ী ইউনিয়ন ধরলা নদীর বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে রাস্তাঘাট, হুমকির মুখে পড়েছিল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। ইতিপূর্বে ভেঙ্গে গেছে বাড়ী-ঘর।

 

অপরদিকে রত্নাই, স্বর্ণামতি, সানিয়াজান, সাকোয়া, চাতলা, মালদহ, ত্রিমোহীনি, মরাসতি, গিরিধারী, গিদারী, ধোলাই, শিংগীমারী, ছিনাকাটা, ধলাই ও ভেটেশ্বর নদীতে বন্যার পানিও কমতে শুরু করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone